কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) এবং এগ্রিকালচারিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এ্যাব)-এর শীর্ষ নেতাদের জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রচারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে এই অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
রোববার (৭ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এগ্রিকালচারিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এ্যাব) আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলা হয়।
বিজ্ঞাপন
সংবাদ সম্মেলনে এ্যাবের আহ্বায়ক ড. কামরুজ্জামান কায়সার বলেন, সম্প্রতি এ্যাবের সদস্যসচিবসহ কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে কেআইবি তহবিল থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ৪ লাখ টাকা আদায়ের একটি ভিত্তিহীন অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে কেআইবি ভবনের উন্নয়ন ও সংস্কার কাজের বকেয়া বিল হিসেবে ওই অর্থ সম্পূর্ণ বৈধ উপায়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়েছিল। এখানে কোনো অনৈতিক অর্থ আদায়ের ঘটনা ঘটেনি।
তিনি আরও জানান, দেশের প্রবীণ কৃষিবিদদের উদ্যোগে আর্থিক লেনদেনের নথিপত্র পর্যালোচনা করে আগেই বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝি হিসেবে সম্পূর্ণ নিষ্পত্তি করা হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন পর সেই নিষ্পত্তিকৃত ঘটনাকে নতুন করে সামনে এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জলঘোলা করার চেষ্টা চলছে।
এ্যাবের সদস্য সচিব শাহাদত হোসেন বিপ্লব বলেন, একটি অসাধু চক্র কেআইবির হিসাব বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক দিলিপ কুমার সরকারকে চাপ প্রয়োগ করে একটি ভিডিও বক্তব্য ধারণ করে এবং সেটির ‘কাটপিস’ ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করে। তবে দিলিপ কুমার সরকার নিজেই পরবর্তীতে ভিডিও বার্তায় স্পষ্ট করেছেন যে, তাকে কোনো ভয়ভীতি দেখানো হয়নি এবং তিনি আইন মেনেই সব কাজ করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বর্তমানে এ্যাবের ৬ সদস্যের কমিটির মধ্যে একজন ভিন্ন পথে চলে সংগঠনকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন।
বিজ্ঞাপন
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জানানো হয়, ওই সদস্য হলেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. শফিকুল ইসলাম শফিক। তার বিরুদ্ধে অচিরেই বিএনপির উচ্চ পর্যায়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হবে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন— এ্যাবের সদস্য শাহাদত হোসেন চঞ্চল, প্রফেসর ড. জামশেদ আলম, নুরুন্নবী শ্যামল এবং হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা দিলীপ কুমার সরকার।
বিইউ/এএস




