দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাটির বৈশিষ্ট্য ও গুণাগুণে ভিন্নতা থাকায় স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বৃক্ষরোপণের পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (৬ জুন) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণ সংক্রান্ত এক সভায় কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এই পরামর্শ দেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রেস উইং জানায়, সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সব অঞ্চলের মাটির বৈশিষ্ট্য এক নয়। এলাকার মাটি ও পরিবেশের ধরন অনুযায়ী গাছ নির্বাচন করে লাগাতে হবে। এতে গাছের বেঁচে থাকার হার বাড়বে এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দিন দিন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ঋতুচক্রেও পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। আগে জুন মাস এলেই নিয়মিত বৃষ্টিপাত হতো, কিন্তু এখন সেই চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে। প্রকৃতির এই বিরূপ আচরণের পেছনে বনাঞ্চল ও গাছপালা কমে যাওয়াকে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পৃথিবী গড়তে বৃক্ষরোপণকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
বিজ্ঞাপন
প্রেস উইং জানিয়েছে, আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের সরকারি কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এই বৃক্ষরোপণ কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, তা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।
আগামী ১৪ জুন সারাদেশে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের এই সরকারি কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। কক্সবাজারের ডুলহাজরায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সভায় পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার, পরিবেশ সচিব রায়হান কাওছার, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক লুৎফুর রহমান, অতিরিক্ত মহাপরিচালক জিয়াউল হক, প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী ও ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সেলের সদস্য জামাইল বশীর জেবি উপস্থিত ছিলেন।
এআর




