ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগকে কেন্দ্র করে চলা আন্দোলনের সংবাদ সংগ্রহের সময় সময় টিভির এক নারী সাংবাদিকের সঙ্গে এক আন্দোলনকারীর বাগ্বিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে। ওই সাংবাদিককে আওয়ামী লীগের দোসর বলে আখ্যা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আন্দোলনকারী মুরাদের বিরুদ্ধে।
বুধবার (৩ জুন) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
বিজ্ঞাপন
সময় টিভির সাংবাদিক সেলিয়া সুলতানা ঢাকা মেইলকে বলেন, ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগ নিয়ে আন্দোলনে অংশ নেওয়া এক ব্যক্তির সাক্ষাৎকার নিচ্ছিলেন তিনি। এ সময় দাড়িওয়ালা, লম্বা গড়নের ও মাথায় টাক এক ব্যক্তি এসে তাকে আওয়ামী লীগের দোসর ও আওয়ামী লীগের সাংবাদিক বলে মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে সাক্ষাৎকার দেওয়া ব্যক্তিকে জোর করে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যান।
সেলিয়া সুলতানা বলেন, পরে তিনি ওই ব্যক্তির কাছে জানতে চান, কেন সাক্ষাৎকারদাতাকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে ওই ব্যক্তি কোনো জবাব না দিয়ে তাকে টানতে থাকেন।
ঘটনার পর সেলিয়া সুলতানা প্রতিবাদ জানালে সেখানে উপস্থিত কয়েকজন বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। তারা বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি হয়তো বিষয়টি বুঝতে পারেননি। তবে সেখানে উপস্থিত বিভিন্ন গণমাধ্যমের মাল্টিমিডিয়া বিভাগের কর্মীরা এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
একপর্যায়ে তারা মুরাদ নামে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত করে তার কাছে জানতে চান, কেন তিনি একজন নারী সাংবাদিকের কাজে বাধা দিয়েছেন এবং তার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন। তবে মুরাদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি এ ধরনের কোনো মন্তব্য করেননি।
বিজ্ঞাপন
পরে মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকেরা তাকে ঘিরে আরও প্রশ্ন করলে তিনি সন্তোষজনক জবাব দিতে না পেরে সেখান থেকে চলে যান। এ সময় তার পক্ষে কথা বলতে এগিয়ে আসা কয়েকজনকেও সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়।
এমআইকে/এআর




