কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণে সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, কোথাও কোনো অনিয়ম নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ঢাকার আমিনবাজারে কোরবানির পশুর চামড়া কেনাবেচা পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
বিজ্ঞাপন
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চামড়া শিল্পের উন্নয়নে সরকার পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করছে। কাঁচা চামড়া সরাসরি রফতানি করা যায় না। তাই জুতা, বেল্টসহ প্রস্তুত পণ্য রফতানিতে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, চামড়াকে কেন্দ্র করে কর্মসংস্থান ও রফতানি আয় বাড়ানোই সরকারের লক্ষ্য। আগামী দিনে সব কোরবানির চামড়া শতভাগ সংরক্ষণ করে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
সিইটিপির সমস্যা ও ট্যানারির সংকট নিরসনে সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি। বর্তমানে প্রায় এক বিলিয়ন ডলারের রফতানি খাতকে ১০ থেকে ১২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে আগ্রহী। তাঁর লক্ষ্য, কোনো চামড়া যেন নষ্ট না হয় এবং সর্বোচ্চ মূল্য নিশ্চিত করা যায়।
বিজ্ঞাপন
চামড়া পাচারের কোনো আশঙ্কা নেই বলেও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, মনিটরিং সেল, জেলা প্রশাসন ও বিসিকসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো মাঠে কাজ করছে। চামড়া দ্রুত লবণ মেখে সংরক্ষণ করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
চামড়ার দাম নির্ধারণ নিয়ে তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করেই দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। লবণযুক্ত চামড়ার জন্য এই দাম প্রযোজ্য। সময়মতো লবণ ব্যবহার না করলে চামড়া নষ্ট হয়ে যায়। যারা সঠিকভাবে সংরক্ষণ করবেন, তারা ন্যায্য মূল্য পাবেন।
এআর




