রাজধানীর আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক ওয়ার্ডে ছয় নবজাতকের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। সেখানে থাকা এসি বিল্ডিং কোড মেনে বসানো হয়নি বলে জানা গেছে।
বুধবার (২৭ মে) সকাল ছয়টা থেকে সাড়ে নয়টা পর্যন্ত ছয় শিশুর মৃত্যু হয়। এরপর হাসপাতালটির একের পর এক অনিয়মের তথ্য সামনে আসছে।
বিজ্ঞাপন
এদিন বিকেলে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল পরিদর্শন করে এসব তথ্য জানান এসি বিশেষজ্ঞ ও অ্যাশরে বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সাবেক সভাপতি মো. হাসমতুজ্জামান।
তিনি বলেন, এই হাসপাতালে স্প্লিট এসি ব্যবহার করা হয়েছে, এটি হাসপাতালে ব্যবহার নিষিদ্ধ। থাকার কথা ছিল সেন্ট্রাল এয়ারকন্ডিশন। স্প্লিট এসি ব্যবহার করা হয়েছে খরচ বাঁচানোর জন্য, এটি কার্যত হাসপাতালে নিষিদ্ধ।
হাসমতুজ্জামান বলেন, টেলিভিশনে এয়ারকন্ডিশনের গ্যাস লিকেজ থেকে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। এখানে স্প্লিট এসি রয়েছে। আমরা ধারণা করছি, স্প্লিট গ্যাস ভর্তি থাকলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এয়ারকন্ডিশন মেশিন পরীক্ষা করলে বোঝা যাবে ভেতরে গ্যাস ছিল কি না।
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও বলেন, এখানে স্প্লিট এসি এখনো পরীক্ষা করা হয়নি, তাই ঠিকভাবে বলা যাচ্ছে না কেন এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
হাসমতুজ্জামান বলেন, এসি বসানোর য, ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড রয়েছে, সেটি এই হাসপাতালে মানা হয়নি। হাসপাতালের জন্য ভিয়ার এসি, প্যাকেজ এসি ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। কারণ যখনই এসির গ্যাস লিকেজ হবে, কেউ তো দৌড়ে পালাতে পারবে না। ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড সম্পূর্ণভাবে অমান্য করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, স্প্লিট এসি হাসপাতালে কখনো থাকতে পারে না। হাসপাতালে ব্যবহার হয় সেন্ট্রাল এসি এবং সেন্ট্রাল এসি হাসপাতালে ব্যবহার করার জন্য অনুমোদিত। এই হাসপাতালে সেন্ট্রাল এসি নেই।
এসএইচ/এএইচ




