মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ঢাকা

পশুর হাটে চাঁদাবাজির অভিযোগ পায়নি সরকার: শাহে আলম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৬ মে ২০২৬, ০২:২২ পিএম

শেয়ার করুন:

alam
গাবতলী পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

রাজধানীর পশুর হাটগুলোতে এখন পর্যন্ত চাঁদাবাজির কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

তিনি বলেন, ‘কোরবানির পশুর হাটগুলোতে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের জন্য স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার, সিটি করপোরেশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে।’


বিজ্ঞাপন


মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে রাজধানীর গাবতলী পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘প্রায় ১৫ দিন আগে হাট পরিদর্শনের সময় যেসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, সেগুলোর ভিত্তিতে হাট ব্যবস্থাপনায় বেশ কিছু উন্নতি আনা হয়েছে। পশুর মোট মূল্যের পাঁচ শতাংশ হারে হাসিল নির্ধারণ করা হয়েছে এবং প্রতিটি লেনদেনে রশিদ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি অর্থ লেনদেন স্বচ্ছ রাখতে মানি রশিদ ও টাকার রশিদ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।’

শাহে আলম বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে কোথাও সাময়িক জলাবদ্ধতা বা কাদা তৈরি হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পানি নিষ্কাশনের জন্য সিটি করপোরেশনের কর্মীরা কাজ করবে। কোথাও অতিরিক্ত কাদা তৈরি হলে সেখানে ইট, বালু ও সুরকি ফেলে চলাচল স্বাভাবিক রাখার ব্যবস্থা করা হবে, যাতে ক্রেতা, বিক্রেতা ও পশু পরিবহনে সমস্যা না হয়।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পশুর হাটে সার্বক্ষণিক মনিটরিং ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কন্ট্রোল রুম, ওয়াচ টাওয়ার এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি চালু রয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিতে র‍্যাব, পুলিশ ও সিটি করপোরেশন যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করছে। নকল টাকা শনাক্ত করতেও বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।’


বিজ্ঞাপন


তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে যাতে হাটে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা, হয়রানি বা অনিয়ম না ঘটে। তবে এই ব্যবস্থাপনা কার্যকর রাখতে ক্রেতা-বিক্রেতাদেরও সহযোগিতা প্রয়োজন।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন। তিনি বলেন, ‘ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন অস্থায়ী ১০টি এবং স্থায়ী গাবতলী পশুর হাটে এখন পর্যন্ত চাঁদাবাজির কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।’

তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন অভিযোগের বিষয় তদন্ত ও যাচাই করা হয়েছে। কোথাও অতিরিক্ত টাকা আদায়ের প্রমাণ মেলেনি। তবে কেউ সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দিলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ডিএনসিসি প্রশাসক আরও বলেন, ‘হাট ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সিটি করপোরেশন নিয়মিত নজরদারি চালাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ইজারাদার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছেন, যাতে ক্রেতা ও বিক্রেতারা নির্বিঘ্নে পশু কেনাবেচা করতে পারেন।’

পরিদর্শনকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

এএইচ/এএইচ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর