সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ঢাকা

৩৪ হাজার টন কোরবানি বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্য ডিএসসিসির

জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২৫ মে ২০২৬, ১২:৫৯ পিএম

শেয়ার করুন:

৩৪ হাজার টন কোরবানি বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্য ডিএসসিসির
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রেস ব্রিফিংয়ে কথা বলছেন ডিএসসিসি প্রশাসক। ছবি- ঢাকা মেইল

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় এবার প্রায় ৩৪ হাজার টন কোরবানি বর্জ্য তৈরি হতে পারে। এসব অপসারণে মোট ১৩ হাজার ৪৫৩ জন জনবল নিয়োজিত করছে ডিএসসিসি।

‎সোমবার (২৫ মে) জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।


বিজ্ঞাপন


‎তিনি বলেন, ঈদের দিন কলাবাগান এসটিএস থেকে দুপুর দেড়টায় এসটিএস থেকে মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলে কোরবানির বর্জ্য পরিবহন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হবে। পরবর্তী ৮ ঘন্টার মধ্যে অর্থাৎ রাত সাড়ে ৯টার মধ্যে ঈদের প্রথম দিনের বর্জ্য অপসারণ করা হবে।‎

‎ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, আমাদের লক্ষ্যমাত্রা- তিন দিনে ৩৩ হাজার ৯৪২ টন বর্জ্য অপসারণ করা। প্রথম দিনে প্রায় ১৫ হাজার ৯৩৫ টন, দ্বিতীয় দিনে প্রায় ১১ হাজার ৭৭৬ টন এবং তৃতীয় দিনে প্রায় ৬ হাজার ২৩১ টন বর্জ্য অপসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

‎এ বিশাল কর্মযজ্ঞে প্রায় মোট ১৩ হাজার ৪৫৩ জন জনবল নিয়োজিত থাকবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, যান ও যন্ত্রপাতি নিয়োজিত থাকবে প্রায় ২,১১৭টি। এগুলোর মধ্য থাকবে ট্রাক, কম্প্যাক্টর, কন্টেইনার ক্যারিয়ার, পে-লোডার, ডোজারসহ অন্যান্য যান।‎

‎আবদুস সালাম বলেন, সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিকগণকে উদ্বুদ্ধ করতে ডিএসসিসির ৭৫টি ওয়ার্ডে ৪৬ টন ব্লিচিং পাউডার, ২১০ গ্যালন অর্থাৎ ১০৫০ লিটার স্যাভলন এবং ১ লাখ ৪০ হাজার বায়োডিগ্রেডেবল ব্যাগ বিতরণ করা হচ্ছে।‎


বিজ্ঞাপন


‎তিনি বলেন, কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম ও হাটের কার্যক্রম নগর ভবনের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হবে। প্রতিটি হাটে আলাদা আলাদা তদারকি টিম ও নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ব্যবস্থা থাকছে। প্রতিটি হাটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত থাকবেন। মেডিকেল টিম ও জরুরি সহায়তা টিম প্রস্তুত থাকবে।‎

‎নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ডিএসসিসির ৭৫টি ওয়ার্ডে ডিএসসিসি কর্তৃক কোরবানির স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে, নির্ধারিত স্থানে কোরবানি করুন। কোরবানি পশুর বর্জ্য ব্যাগে ভরে নির্দিষ্ট স্থানে রাখুন, যেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা সহজে সংগ্রহ করতে পারে।‎

‎তিনি বলেন, কোরবানিকৃত স্থান পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ব্লিচিং পাওডার ও স্যাভলন জাতীয় জীবাণুনাশক ছিটিয়ে দিন। মনে রাখবেন, ড্রেন বা নর্দমায় বা যত্রতত্র পশুর বর্জ্য ফেললে রোগ-জীবাণু ছড়ানোর পাশাপাশি বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা হতে পারে।‎

‎আবদুস সালাম আশা প্রকাশ করে বলেন, আমরা বিশ্বাস করি সবার সহযোগিতায় আমরা একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যসম্মত ও সুন্দর ঈদ নগরবাসীকে উপহার দিতে সক্ষম হবো।‎

‎এএম/এএইচ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর