ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে মতপ্রকাশ, সংগঠন এবং সমাবেশের স্বাধীনতার ওপর অপ্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ ছিল। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। মানবাধিকারকর্মীসহ বিভিন্ন ব্যক্তি তাদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা চর্চা করতে গিয়ে যত্রতত্র গ্রেফতার এবং হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করে সংস্থাটি।
২০২৩ সালের সাইবার নিরাপত্তা আইন, যা সাবেক সরকার সমালোচকদের দমনে ব্যবহার করত এবং যা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থি ছিল, তা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও অ্যাক্টিভিজম দমাতে ব্যবহার করে গেছে।
বিজ্ঞাপন
সংস্থাটি আরও বলেছে, মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিক, লেখক, ব্লগার এবং কবিসহ যারা নিজেদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা চর্চা করেছেন, তাদের লক্ষ্য করে বছরজুড়েই হয়রানি, সহিংসতা ও গ্রেফতারের মতো ঘটনা ঘটেছে।
তারা আরও বলেছে, পরবর্তী সময়ে এই আইনটি বাতিল করে ‘সাইবার নিরাপত্তা অধ্যাদেশ’ দিয়ে স্থলাভিষিক্ত করা হয়, যা মে মাসে কার্যকর হয় এবং পরবর্তী সংসদ কর্তৃক চূড়ান্ত অনুমোদনের আগ পর্যন্ত এটি বলবৎ থাকার কথা।
অপরদিকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে কথা বলায় ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছে অ্যামনেস্টি।
বিজ্ঞাপন
সংস্থাটি বলেছে, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে, তিনি এবং আরও চারজন তাদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ও অন্যান্য মাধ্যম ব্যবহার করে আওয়ামী লীগকে সমর্থন জানিয়েছেন।
অ্যামনেস্টির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে হাদি হত্যাকাণ্ড ও এর জেরে ডেইলি স্টার, প্রথম আলোতে হামলার বিষয়টিও। তারা বলেছে, গত ১৮ ডিসেম্বর জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা শরীফ ওসমান হাদি নিহতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সহিংস বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
এআরএম




