বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেছেন, বৈশ্বিক বাণিজ্যে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে বাংলাদেশকে কেবল অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, মানবসম্পদ ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির দিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ট্রেড নেগোসিয়েশন, ট্রেড ল, ডব্লিউটিও বিধিবিধান এবং আধুনিক বাণিজ্য ব্যবস্থাপনায় দক্ষ জনবল গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।
আজ বুধবার (৬ মে) বিকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর দফতরে বিশ্বব্যাংকের অপারেশনস ম্যানেজার গেইল মার্টিনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মন্ত্রী এসব বলেন।
বিজ্ঞাপন
বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের চলমান সহযোগিতা, সক্ষমতা উন্নয়ন, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং বাণিজ্য খাতের আধুনিকায়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। তিনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ট্রেড নেগোসিয়েশন স্কিল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউটের জন্য একটি শক্তিশালী রিসোর্স পুল গঠন এবং ট্রেড ল ও ডব্লিউটিও বিষয়ক ব্যবহারিক দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আরও বিস্তৃত সহযোগিতা কামনা করেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশে বিভিন্ন দাতা সংস্থা ও সরকারি অর্থায়নে বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়িত হলেও প্রকল্প পরিচালকদের (পিডি) দক্ষতা উন্নয়নে পর্যাপ্ত উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির কর্মসূচি গ্রহণের জন্য তিনি বিশ্বব্যাংকের প্রতি আহ্বান জানান।
বিশ্বব্যাংকের অপারেশনস ম্যানেজার গায়েল মার্টিন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বাস্তবায়নাধীন ইসিফোর (EC4J) প্রকল্পকে একটি সফল উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংক ভবিষ্যতেও এ ধরনের প্রকল্পের পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।
বিজ্ঞাপন
বিশ্বব্যাংকের এই কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের কর্মসূচিগুলোতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং ভ্যালু ক্রিয়েশনকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে দেশের অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব তৈরি হয়।
বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. আবদুর রহিম খান উপস্থিত ছিলেন।
এমআর/ক.ম




