স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দা আসমা খাতুন বলেছেন, টেকসই অবকাঠামো নির্মাণে জলবায়ু সহনশীল ও মানসম্মত নির্মাণসামগ্রীর ব্যবহার এখন সময়ের দাবি। আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব নির্মাণ উপকরণের কার্যকর ব্যবহার মাঠপর্যায়ে সম্প্রসারণ করা গেলে দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে তা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
মঙ্গলবার (৫ মে) এলজিইডি সদর দফতরের সেমিনার কক্ষে আয়োজিত ‘অ্যাসেসমেন্ট অব বেস্ট প্র্যাকটিস ইন টার্মস অব বিল্ডিং মেটেরিয়ালস’ শীর্ষক ইনসেপশন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিজ্ঞাপন
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার মেইনস্ট্রিমিং প্রজেক্টের আওতায় ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট লোকাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার সেন্টার (ক্রিলিক) এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন এলজিইডির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ও ক্রিলিকের পরিচালক মো. আজহারুল ইসলাম। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় টেকসই নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের বিকল্প নেই এবং এ বিষয়ে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
কর্মশালায় অ্যাসাইনমেন্টের জন্য নিযুক্ত পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইকিউএমএস কনসালটিং লিমিটেডের টিম লিডার প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে প্রকল্পের লক্ষ্য, কার্যক্রম এবং সম্ভাব্য আউটপুট তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও স্থানীয় বাস্তবতার সমন্বয়ে নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের সর্বোত্তম চর্চা নির্ধারণ করা হবে, যা ভবিষ্যতে নীতিনির্ধারণে সহায়ক হবে।
কর্মশালায় এলজিইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোল্লা মিজানুর রহমান, কাজী সাইফুল কবীর, মো. ওয়াহিদুজ্জামান, মো. গোলাম মওলা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. হামিদুল হক, মো. আনিসুল ওহাব খান ও মো. আখতার হোসেনসহ বিভিন্ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক, নির্বাহী প্রকৌশলী ও সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলীরা অংশ নেন।
বিজ্ঞাপন
এছাড়া ক্রিম্প-ক্রিলিক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. আব্দুল খালেক, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. লতিফ হোসেন, নির্বাহী প্রকৌশলী ফাতেমা ইসমত আরা, সহকারী প্রকৌশলী অর্পণ পাল এবং বিশেষজ্ঞ পরামর্শক মো. আব্দুল নূর, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. সাদেকুর রহমান ভূঁইয়া, মো. মাসুদুর রহমান ও সৈয়দ মাহবুব আহসান কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন।
এএইচ/এএইচ




