একদিকে নগরভবনে হকার পুনর্বাসন কার্যক্রম চালাচ্ছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি), অন্যদিকে গুলিস্তান এলাকায় চলছে হকারদের দখল উৎসব।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, গোলাপ শাহ মাজার থেকে গুলিস্তান মোড় পর্যন্ত সড়ক দখল করে ব্যবসা চালাচ্ছেন হকাররা।
বিজ্ঞাপন
শুধু এই সড়ক নয়, গুলিস্তান এলাকার আশপাশের প্রায় সব ফুটপাতই হকারদের দখলে। অথচ সম্প্রতি ধারাবাহিক অভিযানে এ এলাকার হকারদের উচ্ছেদ করা হয়েছিল। এতে পথচারীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কিছুটা কমে আসে।

তবে সংশ্লিষ্টদের অভিযান শিথিল হতেই পরিস্থিতি আবার আগের অবস্থায় ফিরে গেছে।
মাতুয়াইল কাউন্সিল এলাকার বাসিন্দা সুজন মিয়া প্রতিদিনই এ এলাকায় যাতায়াত করেন। গুলিস্তানেই তাঁর অফিস।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার দুপুরে গুলিস্তান মোড়ে কথা হলে তিনি বলেন, অভিযানের সময় কিছুদিন হকাররা বসেননি। এতে গুলিস্তানের চিত্র পাল্টে গিয়েছিল। কিন্তু অভিযান বন্ধ হওয়ার পর আবারও হকাররা দখল শুরু করেছেন। এখন গুলিস্তান আগের অবস্থাতেই ফিরে গেছে।
বেসরকারি চাকরিজীবী আফসার আহমেদ বলেন, উচ্ছেদের পর নজরদারি না থাকলে এমনটাই হওয়ার কথা। তাঁর মতে, আগের তুলনায় এখন হকারের সংখ্যা আরও বেড়েছে।
এদিকে ঢাকা শহরের হকার পুনর্বাসন নীতিমালা-২০২৬ (প্রস্তাবিত) এর আওতায় হকার পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করেছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার বিকেল সোয়া চারটার দিকে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন হয়। নিবন্ধিত হকারদের পরিচয়পত্র প্রদানের মধ্য দিয়ে কার্যক্রম শুরু করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম।
অন্যদিকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনও (ডিএনসিসি) একই ধরনের কার্যক্রম শুরু করেছে।
এএম/এআর




