ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুমের প্রার্থিতা বহালের বিষয়ে হাইকোর্টের নির্দেশের পর তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশন থেকে বলা হয়েছে যাচাই-বাছাইয়ে তার প্রার্থিতা বহাল থাকতেও পারে আবার বাতিলও হতে পারে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের কাছে এমন মন্তব্য করেন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) যুগ্ম সচিব মো. মঈন উদ্দীন খান।
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, মিস নুসরাত তাবাসসুম রিট পিটিশন দায়ের করেছিলেন এবং তার রায়ের কপি আমাদের কাছে দিয়ে গেছেন। মাননীয় আদালত এই রিট পিটিশনের আদেশে আমাদেরকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে উনার মনোনয়ন পত্রটি গ্রহণ করে নিষ্পত্তি করতে বলেছেন। আমরা মাননীয় আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সেই কাজটি এখন করছি।
নিষ্পত্তির ফলাফল কী হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা গ্রহণ করে স্ক্রুটিনি করা এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখানে আদালত মাননীয় হাইকোর্ট ডিভিশন ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাঁর আবেদনপত্র গ্রহণ করে নমিনেশন পেপার গ্রহণ করে যাচাই বাছাই করতে বলেছে স্ক্রুটনি করতে বলেছে। আইন অনুযায়ী অন্যান্য যা আছে আমরা এগুলো করব তার প্রার্থিতা থাকতেও পারে বাদও হয়ে যেতে পারে।
আরও পড়ুন: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯ নারী এমপি, গেজেট বৃহস্পতিবার
গত ২১ এপ্রিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় বিকেল ৪টার পর নুসরাত মনোনয়নপত্র জমা দিলে তা গ্রহণ করেননি রিটার্নিং কর্মকর্তা। ফলে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হন।
বিজ্ঞাপন
এদিকে জামায়াত জোটের ১৩ প্রার্থীর মধ্যে এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র সরকারি চাকরি থেকে অবসরের তিন বছর অতিবাহিত না হওয়ায় বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। পরবর্তীতে তিনি কমিশনের আপিল করেও প্রার্থিতা ফিরে পাননি। মনিরা শারমিন ইসির রায়ের কপি বুধবার সংগ্রহ করেছেন। বৃহস্পতিবার তার আদালতে আপিল করার কথা রয়েছে।
নির্বাচনের বর্তমান প্রক্রিয়ায় ইতিমধ্যে ৪৯ প্রার্থীর কেউ প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় কমিশন বৃহস্পতিবার গেজেট প্রকাশ করবেন।
এমএইচএইচ/এআর




