দেশের বিদ্যমান আইন অনুসারে সরকারের চাহিদা অনুযায়ী সেনাবাহিনী মাঠে আছে। তবে পর্যায়ক্রমে তা তুলে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) কোস্টগার্ডের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আগারগাঁওয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
বিজ্ঞাপন
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যমান আইন অনুযায়ী সরকারের চাহিদা অনুসারে সেনাবাহিনী মাঠে আছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়েই তারা মাঠে আছেন। পর্যায়ক্রমে সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।’
এর আগে, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে নামে। ভোটের আগে চার দিন, ভোটের দিন এবং ভোটের পর দুই দিনসহ মোট সাত দিন তারা দায়িত্ব পালন করে। এখন পর্যন্ত তারা ব্যারাকে ফেরেননি।
দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই। তবে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার জঙ্গিবাদকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করত।’
বিজ্ঞাপন
গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে পুলিশ সদর দফতর থেকে পাঠানো চিঠির বিষয়ে তিনি অবগত নন বলে জানান। তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সময় দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।
আরও পড়ুন: জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর বার্তা
সকালে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড সদর দফতরে বাহিনীটির ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন শুরু হয়।
বাহিনীর মহাপরিচালক রিয়ার এডমিরাল জিয়াউল হক গত এক বছর নদীপথে বাহিনীর সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ কাজে বাহিনীর ১৬ জন জীবন দেওয়ার কথা উল্লেখ করে কোস্টগার্ডে জনবলের ঘাটতি রয়েছে জানান তিনি।
পরে বাহিনীর কর্মকর্তা, নাবিক ও অসামরিক সদস্যদের মধ্যে মোট ১৪ জনকে বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন পদকে ভূষিত করা হয়। চারজন পান বাংলাদেশ কোস্টগার্ড পদক, চারজন কোস্টগার্ড (সেবা) পদক, তিনজন প্রেসিডেন্ট কোস্টগার্ড পদক এবং তিনজন ‘প্রেসিডেন্ট কোস্টগার্ড (সেবা)’ পদক। এ পদক তুলে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
কোস্টগার্ডের জনবল বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানান স্বরাস্ট্রমন্ত্রী।
এমআই




