রাজধানীর মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপ কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় এক গ্রুপের সদস্যদের দেশীয় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে এলেক্স গ্রুপের লিডার ইমন নিহত হয়েছেন।
রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী বেড়িবাঁধ সড়কের ঢালে এ ঘটনা ঘটে।
বিজ্ঞাপন
ঘটনার পর তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা হলেন- মো. সাইফ, তুহিন ও মো. রাব্বি কাজী। তারা সবাই ইমনের প্রতিপক্ষ গ্রুপের সদস্য। এসময় তাদের কাছ থেকে তিনটি চাপাতি, একটি কাটার ও একটি স্টিলের পাত উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রায়েরবাজার এলাকায় এলেক্স ইমন গ্রুপ ও আরমান-শাহরুখ গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে আজ বিকেলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষের একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ইমন গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে ইমনের মরদেহ জরুরি বিভাগের মর্গে রয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা।
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, রায়েরবাজারে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে এলেক্স ইমনকে গুরুত্বর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে।
এডিসি জুয়েল রানা আরও জানান, ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে রায়েরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা।
মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এলেক্স ইমন রায়েরবাজার এলাকার চিহ্নিত কিশোর গ্যাং চক্রের মূলহোতা। সে এলেক্স গ্রুপের নেতৃত্ব দিত। তার বিরুদ্ধে ছিনতাই, হত্যাসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে। এ বিষয়ে আমরা কাজ করছি।’
একেএস/এএইচ



