আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) থেকে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে ৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা। সকাল ১০টায় ঢাকা ও অন্যান্য বিভাগীয় শহরের নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোতে একযোগে এই পরীক্ষা শুরু হয়।
প্রথম দিনে পরীক্ষার্থীরা ‘বাংলা প্রথম পত্র’ বিষয়ে অংশগ্রহণ করছেন। প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মোট ১২ হাজার ৩৮৫ জন প্রার্থী এবারের লিখিত পরীক্ষায় লড়াই করার সুযোগ পেয়েছেন।
এদিকে, সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খলভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। কমিশন পরীক্ষার্থীদের ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে প্রবেশসহ একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছে।
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অর্থাৎ, সকাল ৯টা ৩০ মিনিটের মধ্যে প্রার্থীদের হলে প্রবেশ করতে হবে। এরপর হলের গেট বন্ধ করে দেওয়া হবে। নির্ধারিত সময়ের পর কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
বিজ্ঞাপন
পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন, সব ধরনের ঘড়ি, ইলেকট্রনিক যোগাযোগযন্ত্র, ক্যালকুলেটর (সাধারণ ক্যালকুলেটর ছাড়া), ব্যাগ, বই এবং ব্যাংক কার্ডসহ সব ধরনের সামগ্রী নিয়ে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। হলের গেটে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি চালানো হবে।
পরীক্ষা চলাকালে কারও কাছে এসব সামগ্রী পাওয়া গেলে তার প্রার্থিতা বাতিলসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে পদ-সংশ্লিষ্ট কিছু কারিগরি বিষয়ের ক্ষেত্রে সায়েন্টিফিক নন-প্রোগ্রামেবল ক্যালকুলেটর ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
প্রতিটি পরীক্ষার কক্ষ সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকবে। পরীক্ষার্থীদের কান ও মুখ দৃশ্যমান রাখতে হবে। কোনো প্রকার আবরণ রাখা যাবে না। তবে শ্রুতিলেখক প্রয়োজন এমন প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া লিখিত পরীক্ষায় পাসের জন্য গড় নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ শতাংশ। তবে কোনো প্রার্থী যদি কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে ৩০ শতাংশের কম নম্বর পান, তবে সেই নম্বরটি তার সর্বমোট নম্বরের সাথে যোগ করা হবে না।
এদিকে শৃঙ্খলার বিষয়ে কমিশন জানিয়েছেন, পরীক্ষার হলে কোনো নিষিদ্ধ সামগ্রী পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলসহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পিএসসি জানিয়েছে, ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ কেন্দ্রে একযোগে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকার মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজ, সরকারি মোহাম্মদপুর মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সরকারি বিজ্ঞান কলেজসহ আটটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসনবিন্যাস করা হয়েছে। অন্য বিভাগীয় শহরগুলোর নির্ধারিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও পরীক্ষার্থীরা অংশ নেবেন।
এদিকে, প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী ১২ এপ্রিল বাংলা দ্বিতীয়পত্র, ১৬ এপ্রিল ইংরেজি, ১৯ এপ্রিল বাংলাদেশ বিষয়াবলি, ২০ এপ্রিল আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি এবং ২২ এপ্রিল গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া পদসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর পরীক্ষা ২৭ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে চলবে ৭ মে পর্যন্ত। প্রতিটি পরীক্ষা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে শুরু হবে।
এফএ




