ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন দিল্লি সফররত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে দিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহ।
বিজ্ঞাপন

কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বিষয়গুলোর পাশাপাশি আঞ্চলিক বিষয় নিয়ে কথা বলেন প্রতিবেশী দুই দেশের শীর্ষ কূটনৈতিক।
বৈঠকের পর ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে বলেছেন, ‘ আজ দুপুরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও তার প্রতিনিধিদলকে আতিথ্য দিতে পেরে আমি আনন্দিত।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেছি। এছাড়াও আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ঘটনাবলী নিয়ে মতবিনিময় করেছি।’
বিজ্ঞাপন
Pleased to host FM Khalilur Rahman of Bangladesh and his delegation this afternoon.
— Dr. S. Jaishankar (@DrSJaishankar) April 8, 2026
We discussed strengthening our bilateral relationship in its various facets. Also exchanged views on regional and global developments.
Agreed to remain in close touch.@BDMOFA
🇮🇳 🇧🇩 pic.twitter.com/qAf87w2cvr
দুই দেশ ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখতে সম্মত হয়েছে বলেও জানান ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম দিল্লি সফর।
সফরসূচী অনুযায়ী, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করের পাশাপাশি আজ বিকেলে দেশটির পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরি এবং বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের সঙ্গে বৈঠক করবেন খলিলুর রহমান।
সংশ্লিষ্ট বৈঠকগুলোতে দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা পুনঃপ্রবর্তন, জ্বালানি নিরাপত্তা, গঙ্গার পানিচুক্তির নবায়ন এবং সীমান্তে হত্যা বন্ধে পদক্ষেপসহ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে দিল্লিতে আনুষ্ঠানিক বৈঠক শেষে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে একই বাণিজ্যিক ফ্লাইটে মরিশাসের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন খলিলুর রহমান। সাত-আট ঘণ্টার এই দীর্ঘ আকাশযাত্রায় দুই দেশের মন্ত্রীরা একান্ত পরিবেশে অনানুষ্ঠানিক আলোচনার বিশেষ সুযোগ পাবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কূটনীতিকরা। এর ফলে দ্বিপাক্ষিক অনেক জটিল সংকট সমাধানের পথ সহজ হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
এমএইচআর

