বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

যেসব এলাকায় ৩ দিন চলবে না মোটরসাইকেল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৮ পিএম

শেয়ার করুন:

যেসব এলাকায় ৩ দিন চলবে না মোটরসাইকেল
যেসব এলাকায় ৩ দিন চলবে না মোটরসাইকেল

আসন্ন বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই দুই নির্বাচনি এলাকায় তিনদিন মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এছাড়া পিকআপ, মাইক্রোবাস, ট্রাক, ট্যাক্সি ক্যাব ও প্রাইভেটকার চলাচল একদিনের জন্য বন্ধ থাকবে। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত চিঠি সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিবকে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।


বিজ্ঞাপন


চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী ৯ এপ্রিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বগুড়া-৬ আসনের শূন্য পদে উপনির্বাচন এবং শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভোটগ্রহণের নির্ধারিত দিনের আগের দিন মধ্যরাত অর্থাৎ ৮ এপ্রিল রাত ১২টা থেকে ৯ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত পিকআপ, মাইক্রোবাস, ট্রাক, ট্যাক্সি ক্যাব ও প্রাইভেটকার চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এছাড়া ৭ এপ্রিল রাত ১২টা থেকে ১০ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হবে—

(ক) আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমোদিত পর্যবেক্ষক।

(খ) জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন এবং ওষুধ, চিকিৎসা সামগ্রী ও সংবাদপত্র পরিবহনকারী যানবাহন।


বিজ্ঞাপন


(গ) দূরপাল্লার যাত্রীবাহী যানবাহন অথবা দূরপাল্লার যাত্রী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াতের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত যানবাহন।

(ঘ) প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর জন্য ১টি এবং তার নির্বাচনি এজেন্টের জন্য ১টি যানবাহন (জিপ, কার, মাইক্রোবাস ইত্যাদি), যা রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদন ও স্টিকার প্রদর্শনের শর্তে চলাচল করতে পারবে।

(ঙ) সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক বা জরুরি কাজে ব্যবহৃত যানবাহন/মোটরসাইকেল নির্বাচন কমিশন বা রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদন সাপেক্ষে চলাচল করতে পারবে।

(চ) নির্বাচন কমিশনের অনুমোদনক্রমে নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী বা অন্য কোনো ব্যক্তির মোটরসাইকেল চলাচলের অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।

(ছ) টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনা করে বিটিআরসি ও তাদের লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহন চলাচল নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।

(জ) জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর এলাকা, আন্তঃজেলা ও মহানগরে প্রবেশ বা বহির্গমনের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এবং প্রধান সংযোগ সড়কসমূহে প্রয়োজন অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা যাবে।

এছাড়া স্থানীয় প্রয়োজন ও বাস্তবতা বিবেচনায় অতিরিক্ত কোনো যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা শিথিল করার ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এমএইচএইচ/এএস

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর