মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬, ঢাকা

ময়লায় ভরাট সেগুনবাগিচা বক্স কালভার্ট এক মাসে সচল করতে চায় ডিএসসিসি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৪:১৬ পিএম

শেয়ার করুন:

ময়লায় ভরাট সেগুনবাগিচা বক্স কালভার্ট এক মাসে সচল করতে চায় ডিএসসিসি

‎আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি দিতে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সেগুনবাগিচা বক্স কালভার্টের পরিষ্কার কাজ শুরু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।

‎সংস্থাটি বলছে, বক্স কালভার্টটি পরিষ্কারের কাজ সম্পন্ন করতে পাঁচ মাসের মতো সময় প্রয়োজন। কিন্তু এক মাসের মধ্যে এই কাজ সম্পন্ন করে পানির প্রবাহ সচল করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। ফলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমেই এই এলাকার প্রায় ১০ লাখ মানুষ জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে রক্ষা পাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

‎শিল্পকলা একাডেমি থেকে সেগুনবাগিচা-বিজয়নগর পানির ট্যাংক-বক্স-কালভার্ট রোড-টয়েনবি সার্কুলার রোড হয়ে টিটিপাড়া পাম্প স্টেশন পর্যন্ত এই বক্স কালভার্টের অবস্থান। এটি ঢাকা দক্ষিণের ২০, ১৫, ৯ ও ৮ নং ওয়ার্ডজুড়ে বিস্তৃত। এই ওয়ার্ডগুলো ঢাকার দুটি (৮ ও ৯ নং) সংসদীয় আসনের আওতাধীন।

‎ডিএসসিসির তথ্য অনুযায়ী, সেগুনবাগিচা বক্স কালভার্টের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩ কিলোমিটার তথা ২.৮৫ কিলোমিটার। যার প্রস্থ প্রায় ১৬ ফুট এবং গভীরতা প্রায় ১৮-২০ ফুট। এটির আউটলেট কমলাপুর টিটিপাড়া পাম্পস্টেশন সংলগ্ন মান্ডা খাল।

‎এই বক্স কালভার্ট দিয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা সেগুনবাগিচা, সচিবালয়, পল্টন, কাকরাইল, ফকিরাপুল, মতিঝিল, নয়াপল্টন ও আশপাশের এলাকার পানি নিষ্কাশন হয়। কিন্তু বক্স কালভার্টটি নিয়মিত পরিষ্কার না হওয়ায় প্রতিবছরই সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়।

‎মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে সেগুনবাগিচায় মাদকতথ্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অফিসের সামনে বক্স কালভার্টটির পরিষ্কার কার্যক্রম শুরু করা হয়।

‎সরেজমিনে দেখা যায়, লং বুম এক্সেভেটর, পুলিং মেশিন, ডাম্প ট্রাকসহ ভারী যান ও যন্ত্রপাতি দিয়ে এই কাজ শুরু হয়। এ কাজে ডুবুরিসহ অন্যান্য কর্মীও অংশ নিয়েছেন।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম।

‎উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রশাসক বলেন, নির্ধারিত সময়সীমা পাঁচ মাস হলেও বর্ষার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বিশেষ নির্দেশনার মাধ্যমে আগামী এক মাসের মধ্যে এই বক্স কালভার্টগুলোর বর্জ্য অপসারণ করে পানির প্রবাহ সচল করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে। এতে এ এলাকার প্রায় ১০ লাখ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন।

‎এএম/এফএ

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর