সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান নিয়ে আগামী মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সংসদে আলোচনা হবে বলে সময় নির্ধারণ করেছেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। ওই দিনের শেষ কার্যসূচি হিসেবে বিষয়টির ওপর দুই ঘণ্টার আলোচনা হবে বলে জানান তিনি।
রোববার (২৯ মার্চ) জাতীয় সংসদকে স্পিকার এই সিদ্ধান্ত জানান।
বিজ্ঞাপন
এর আগে বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ৬২ বিধিতে বিষয়টির মুলতবি প্রস্তাব তোলেন। পরে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে আলোচনায় সম্মতির কথা জানান। তবে তিনি তার আগে বর্তমান সংবিধান, জুলাই জাতীয় সনদ, (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫, মদিনা সনদসহ কিছু ডকুমেন্ট সংসদ সদস্যদের সরবরাহ করতে স্পিকারকে অনুরোধ করেন।
ডেপুটি স্পিকার সিদ্ধান্ত দেওয়ার আগে পয়েন্ট অব অর্ডারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ মুলতবি প্রস্তাবের বিধি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, প্রস্তাবটি ৬২ বিধি অনুযায়ী হয়নি। এটাকে যেভাবে তোলা হয়েছে তা ৬৮ বিধি সংশ্লিষ্ট। ওই বিধিতে মাত্র আধঘন্টা আলোচনার সুযোগ রয়েছে। ৬২ বিধিতে আলোচনা করতে হলে প্রস্তাবটি সংশোধন করতে হবে। এ সময় তিনি প্রস্তাবটি সংশোধন করবেন কি না বিরোধী দলীয় নেতাকে প্রশ্ন রাখেন।
এছাড়া আইন সংশোধনীর প্রয়োজন পড়ে এমন কোনো বিষয় মুলতবি প্রস্তাবে আলোচনা করা যায় না বলে ৬৩ বিধির বিধান তুলে দাবি করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
পরে ডেপুটি স্পিকার আগামী ৩১ মার্চ বিষয়টির ওপর দুই ঘণ্টা আলোচনা হবে বলে সিদ্ধান্ত দেন। ডেপুটি স্পিকারের সিদ্ধান্ত দেওয়ার পরপরই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবারো ফ্লোর চাইলে তিনি তাতে সাড়া দেননি। ডেপুটি স্পিকার জানান, তিনি তার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন। এরপরও সালাউদ্দিন আহমদ বেশ কিছুক্ষণ সংসদে দাঁড়িয়ে থাকেন। তবে স্পিকার তাকে কোনো সময় না দিয়ে দিনের অন্য কার্যসূচিতে চলে যান।
বিজ্ঞাপন
টিএই/ক.ম

