রোববার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ঢাকা

বর্ষবরণ ঘিরে একগুচ্ছ পরিকল্পনা, নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকবে রাজধানী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৪:৪৯ পিএম

শেয়ার করুন:

বর্ষবরণ ঘিরে একগুচ্ছ পরিকল্পনা, নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকবে রাজধানী

আসন্ন বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপনকে সামনে রেখে একগুচ্ছ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এবারের নববর্ষের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার’।

রোববার (২৯ মার্চ) সচিবালয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী।


বিজ্ঞাপন


সভায় বক্তারা বাংলা নববর্ষকে বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনা, ঐক্য ও সংস্কৃতির প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি যথাযথ বাস্তবায়নে এবারের আয়োজনকে আরও বেশি সার্বজনীন, সুশৃঙ্খল ও জনমুখী করার লক্ষ্যে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সভায় জানানো হয়, প্রথা অনুযায়ী পহেলা বৈশাখ সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের উদ্যোগে ‘ঐতিহ্যবাহী মঙ্গল শোভাযাত্রা’ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে। চারুকলার এই বর্ণিল আয়োজনে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে রমনা বটমূলে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ছায়ানটের প্রভাতী অনুষ্ঠান যথানিয়মে অনুষ্ঠিত হবে। সরকারি-বেসরকারি টেলিভিশন ও বেতারে এই অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। বেসরকারি চ্যানেলগুলো বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) ফিড ব্যবহার করে অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার করবে।

সভায় জানানো হয়, এবারের উদযাপনে নতুন মাত্রা যোগ করতে রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে আয়োজিত এসব অনুষ্ঠানে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)-কে সম্পৃক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান নিজস্ব আঙ্গিকে পৃথক কর্মসূচি পালন করবে।


বিজ্ঞাপন


সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মফিদুর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।

আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আজহারুল ইসলাম শেখ,  বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার নজরুল ইসলাম, বিএনপির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, জাসাস সভাপতি হেলাল খান, বিএনপি মিডিয়া সেল সদস্য শায়রুল কবির খান, অধ্যাপক কাওসার হাসান টগর এবং ছায়ানট ও ললিতকলা একাডেমির প্রতিনিধিবৃন্দ।

মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সরাসরি ৬০ জন প্রতিনিধি উপস্থিত থাকলেও দেশের বিভিন্ন জেলা ও দফতরের কর্মকর্তারা অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এই সভায় যুক্ত ছিলেন। সভায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট (বান্দরবান)-সহ সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়।

বিইউ/এফএ

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর