বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ঢাকা

দেড় যুগ পর স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫৫ পিএম

শেয়ার করুন:

দেড় যুগ পর স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ
দেড় যুগ পর স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ। ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ ১৮ বছর পর মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীর জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) আয়োজিত এ প্যারেডে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সালাম গ্রহণ করেন।


বিজ্ঞাপন


প্যারেড অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামসুল ইসলাম এবং তিন বাহিনীর প্রধানরা উপস্থিত থেকে রাষ্ট্রপতিকে অভ্যর্থনা জানান। এ সময় ঊর্ধ্বতন সামরিক ও অসামরিক ব্যক্তিবর্গ, বৈদেশিক কূটনীতিক এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

picture

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস প্যারেড ২০২৬ মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের নির্দেশনায় এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৯ পদাতিক ডিভিশনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত হয়। প্যারেডে বীর মুক্তিযোদ্ধা, সশস্ত্র বাহিনী, আধা সামরিক বাহিনী এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা অংশ নেন।

আরও পড়ুন: কুচকাওয়াজ দেখতে দেড় যুগ অপেক্ষা করতে হবে, কখনো ভাবিনি: দর্শনার্থী


বিজ্ঞাপন


কুচকাওয়াজে প্যারেড কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ৯ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, সাভার এরিয়া মেজর জেনারেল এস এম আসাদুল হক। কুচকাওয়াজে বিভিন্ন বাহিনীর মোট ২৫টি কন্টিনজেন্ট রাষ্ট্রপতিকে সালাম প্রদান করে। সুসজ্জিত বাহনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সালাম প্রদান এবং যান্ত্রিক বহরে সশস্ত্র বাহিনীর উল্লেখযোগ্য সমরাস্ত্র প্রদর্শন করা হয়।

এ ছাড়া আর্মি এভিয়েশন, নেভাল এভিয়েশন, বিজিবি এয়ার উইং ও র‍্যাব ফোর্সেসের ফ্লাইপাস্ট এবং দুঃসাহসিক প্যারা কমান্ডো সদস্যদের ফ্রিফল জাম্প প্যারেডকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে। যান্ত্রিক বহরের প্রদর্শনীর পরপরই বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর মনোজ্ঞ ফ্লাইপাস্ট ও এরোবেটিক ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হয়।

1

নতুন প্রজন্মের কাছে মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার লক্ষ্যে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারসহ রাজধানীর নির্দিষ্ট সড়কগুলোতে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের চেতনা সম্বলিত উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ব্যানার ও বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়। পাশাপাশি প্যারেড গ্রাউন্ডে অংশগ্রহণকারী সব বাহিনীর উল্লেখযোগ্য কর্মকাণ্ডের ছবি প্রদর্শন করা হয়।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের কুচকাওয়াজ সুষ্ঠু ও সার্থকভাবে আয়োজন করতে গণপূর্ত অধিদপ্তর, পিডিবি, ঢাকা ওয়াসা, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, টিএন্ডটি, ডেসকো, জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর, গণযোগাযোগ অধিদপ্তর, পিডব্লিউডি ও স্থাপত্য অধিদপ্তরের সহযোগিতা ছিল প্রশংসনীয়।

এআর

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর