রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে হতাহতের ঘটনায় দায়ীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব।
বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে ফেসবুকের দেওয়া এক পোস্টে এই বার্তা দেন প্রতিমন্ত্রী। একইসঙ্গে তিনি এ দুর্ঘটনায় দুঃখপ্রকাশও করেছেন।
বিজ্ঞাপন
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় অর্ধশত যাত্রী নিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস নদীতে নিমজ্জিত হওয়ার মর্মান্তিক ঘটনায় উদ্ধার কার্যক্রম দ্রুততম সময়ে শুরু করা হয়েছে। বিআইডব্লিউটিএ’র উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ এবং অভিজ্ঞ ডুবুরি দল নিরলসভাবে কাজ করছে।’
তিনি বলেন, এছাড়াও ফায়ার সার্ভিস, বিআইডব্লিউটিসি, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পুলিশ, নৌপুলিশ এবং স্থানীয় জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থা সমন্বিতভাবে উদ্ধার তৎপরতায় অংশগ্রহণ করছে। এই হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির জন্য গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি জানাচ্ছি আন্তরিক সমবেদনা ও সহমর্মিতা।
পাশাপাশি আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত সুস্থতা ও পুনর্বাসনের জন্য সর্বাত্মক সহায়তা দেওয়া হবে বলেও জানান হাবিবুর রশিদ হাবিব।
বিজ্ঞাপন
এর আগে বুধবার (২৬ মার্চ) বিকেলে দৌলতদিয়া ঘাটে সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস প্রায় অর্ধশত যাত্রী নিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেরির ওপর থেকে পানিতে পড়ে যায়। সেই মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক মাধ্যমে।
এই দুর্ঘটনার পরই এক নারী ও এক শিশুকে সাতরে উপরে উঠতে দেখা যায়। এছাড়া ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল আরও কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করে। এছাড়া দুজনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। বাকিরা এখনো নিখোঁজ।
এদিকে দুর্ঘটনা কবলিত বাসটি উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা। বাসটি পানির ৫০ ফুট গভীরে পড়ে আছে বলে ডুবুরিরা নিশ্চিত করেছেন।
বিইউ/এএইচ
