আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ে ভোগান্তিতে পড়েছে রাজধানীবাসী। হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টিতে বাসায় যেতে ভোগান্তিতে পড়েন অনেকে। বুধবার (২৫ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিট থেকে রাজধানীতে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়।
সাইনবোর্ড এলাকার একটি মার্কেটে আশ্রয় নেওয়া কামাল হোসেন সন্ধ্যা ৭টার দিকে বলেন, অফিস শেষ করে বাসায় যাওয়ার উদ্দেশে বের হয়েছিলাম। হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টির কারণে ভিজে গেছি। বৃষ্টি ঘণ্টাখানেক চলতে থাকলে গণপরিবহনও আর পাবো না। রাস্তায় জলাবদ্ধতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও আছে। দেখি কী হয়!
বিজ্ঞাপন
মো. আলম হোসেনও একই ভবনে আশ্রয় নিয়েছেন বৃষ্টি থেকে নিজেকে রক্ষা করতে। তিনি বলেন, যে বৃষ্টি শুরু হয়েছে এতে তো রাস্তায় পানি জমে যেতে পারে। প্রতি বছরই বর্ষাকালে এমন ভোগান্তিতে পড়তে হয় আমাদের। এখন অপেক্ষা বৃষ্টি থামার, তারপর বের হবো।
এদিকে আবহাওয়াবিদ শাহানাজ সুলতানার দেওয়া বুধবার (২৫ মার্চ) দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া বিশেষ পূর্বাভাসে বলেছেন, ঢাকা, ফরিদপুর এবং কুমিল্লা অঞ্চলগুলোর উপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
এই আবহাওয়াবিদ জানান, পাবনা, টাংগাইল, ময়মনসিংহ, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং সিলেট অঞ্চলগুলোর উপর দিয়ে একই দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এমএইচএইচ/ক.ম

