বিগত সময়ে ভোটারের আঙুলের ছাপ মাঠ পর্যায়ে উপজেলা নির্বাচন অফিস ছাড়া অন্য কোথাও যাচাই করা হতো না। এ অবস্থায় নতুন করে আঙুলের ছাপ (বায়োমেট্রিক) যাচাইয়ের ক্ষমতা মাঠ পর্যায়ের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাকেও দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বুধবার (২৫ মার্চ) ইসি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
বিজ্ঞাপন
সূত্র জানায়, জাতীয় পরিচয়পত্রে নিজের নাম কিংবা পিতা-মাতার নামের আমূল সংশোধনের জন্য প্রায় সবাইকে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে যেতে হয়। তবে সব কাগজপত্র ঠিক থাকলেও সেখানে সেবাগ্রহীতার আঙুলের ছাপ যাচাইয়ের সুবিধা না থাকায় তাকে আবার উপজেলা বা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে বায়োমেট্রিক যাচাই করে নিজের পরিচয় নিশ্চিত করতে হয়।
এতে ভোগান্তি বাড়ে। এ কারণে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়েও আঙুলের ছাপ যাচাই (বায়োমেট্রিক যাচাই) সুবিধা চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি কমবে এবং দ্রুত সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
ইসির এনআইডি অনুবিভাগের সিস্টেম ম্যানেজার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন বলেন, আগে বায়োমেট্রিক যাচাই-যাকে আমরা ‘এফআইএস ম্যাচিং’ বলি-আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে ছিল না। এটি চালুর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। নির্দেশনা পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিজ্ঞাপন
ইসির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৪ জন এবং হিজড়া ভোটার ১ হাজার ১২০ জন।
এমএইচএইচ/এমআই

