সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬, ঢাকা

ভোটের প্রতিবেদন তৈরিতে রূপরেখা প্রস্তুতের নির্দেশ ইসির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৩ মার্চ ২০২৬, ১১:২১ এএম

শেয়ার করুন:

Ec
নির্বাচন কমিশন। ফাইল ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সামগ্রিক বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরির একটি রূপরেখা প্রস্তুত নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। যা আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে উপস্থাপনের নির্দেশও দিয়েছে সংস্থাটি।

সোমবার (২৩ মার্চ) ইসির নির্রবাচন পরিচালনা শাখা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।


বিজ্ঞাপন


পরিচালনা শাখার এক কর্মকর্তা বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সামগ্রিক বিষয়ে একটি প্রতিবেদন আমাদের প্রস্তুত করতে হবে। আর প্রতিবেদন কিভাবে করা তার একটি রূপরেখা আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে আমাদের জমা দিতে হবে। এরপর পরবর্তী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা প্রতিবেদন তৈরি যাবতীয় কার্যক্রম গ্রহণ করব।

দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ৪২ হাজার ৬৫১টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়েছে। এর মধ্যে ২৯৭টি আসনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল ঘোষণা স্থগিত রাখা হয়েছে। আদালতে মামলা নিষ্পত্তি হলে এই আসনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে। শেরপুর-৩ আসনে একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে নির্বাচন বাতিল হয়েছে। ওই আসনের ১২৮টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়নি, যা আগামী ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। একইদিনে বগুড়া-৬ আসনেরও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

ইসির তথ্য অনুযায়ী, নিবন্ধিত ৬০টি দলের মধ্যে এবার অংশ নিয়েছে ৫০টি দল। মোট প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী দুই হাজার ২৮ জন। এর মধ্যে রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ১ হাজার ৭৫৫ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৭৩ জন। প্রার্থীদের মধ্যে নারী ৮৩ জন—দলীয় ৬৩ জন এবং স্বতন্ত্র ২০ জন। বিএনপির নারী প্রার্থী ১০ জন। জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য ইসলামপন্থী দলগুলোর কোনো নারী প্রার্থী ছিল না।

দেশে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। এর মধ্যে নারী ছয় কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০, পুরুষ ছয় কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ১ হাজার ২৩২ জন। শেরপুর-৩ আসনের চার লাখ ১৩ হাজার ৩৩৭ জন ভোটার এবার ভোট দিতে পারেনি। ফলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছেন ১২ কোটি ৭২ লাখ ৯৮ হাজার ৪৫৬ জন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি পেয়েছে ২০৯টি আসন, জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি, জাতীয় নাগরিক পার্টি ৬টি। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস পেয়েছে ২টি আসন। ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ও গণসংহতি আন্দোলন—প্রতিটি দল পেয়েছে ১টি করে আসন। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ৭টি আসন।

এমএইচএইচ/এএস

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর