আজ সকাল থেকে রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ বাইতুল মোকাররমে চোখে পড়েছে মানুষের অশেষ ভিড়। পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি, শুভেচ্ছা বিনিময় এবং সেলফির মাধ্যমে আনন্দ ভাগাভাগি করছেন।
নামাজ শেষে ঈদগাহের মাঠ যেন জীবন্ত উৎসবে পরিণত হয়েছে। বাবা-মা, ভাই-বোন, বন্ধু-বান্ধব-সবাই একসাথে মিলিত হয়ে হাসি, আনন্দ এবং প্রিয়জনের সঙ্গে মুহূর্তগুলো ধরে রাখছেন। ছোট্ট শিশুদের কোলের মধ্যে খেলা, বড়দের আন্তরিক আলাপ, এবং পরিবার-বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার জন্য তৈরি উচ্ছ্বাস-সব মিলিয়ে ঈদগাহে এক অভিনব দৃশ্য তৈরি করেছে।
বিজ্ঞাপন

সেলফি তো যেন এক নতুন রীতি। কেউ ফোনে পুরো পরিবারের ছবি তুলছেন, কেউবা বন্ধুদের সঙ্গে মজার মুহূর্ত ধরে রাখছেন। এমনকি দূর থেকে আসা আত্মীয়রাও এখানে এসে একে অপরের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করছেন এবং মুছে ফেলা স্মৃতিগুলোকে চিরস্থায়ী করতে ছবির ক্যামেরার দিকে মুখ উন্মুখ করছেন।
অনেক মুসল্লি বলছেন, ঈদ মানেই মিলন ও আনন্দ। আজ নামাজের পর সবাই একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করছে, হাসছে, ছবি তুলছে-এটাই আমাদের উৎসবের আসল সৌন্দর্য।
বিজ্ঞাপন
বিশেষ করে এই মুহূর্তগুলো নতুন প্রজন্মকে পারিবারিক বন্ধন ও সামাজিক মিলনের গুরুত্ব বোঝাচ্ছে।

জাতি ঈদগাহে এবার বাড়তি আনন্দে বিষয় হলো ৩৫ বছর পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জাতির গায়ে ঈদের নামাজ পড়েছেন। একই সাথে রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিনের নামাজ পড়েছেন।
এছাড়া, আজকের দিনটি শুধু ধর্মীয় একতার প্রতীক নয়, মানুষের আন্তরিক সম্পর্ক ও ভালোবাসার একটি জীবন্ত উদাহরণ। ঈদগাহের প্রাঙ্গণ এখন যেন কোলাকুলি আর সেলফির ছোঁয়ায় ভরা আনন্দের সাগরে পরিণত হয়েছে। প্রতিটি হাসি, প্রতিটি আলাপ, প্রতিটি ছবি-সব মিলিয়ে এক অসাধারণ ঈদ উদযাপনের স্মৃতি তৈরি করছে, যা স্মৃতিতে দীর্ঘকাল ধরে জায়গা করে রাখবে।
যেখানে নামাজ শেষ হলো, সেখানে শুরু হলো সম্পর্কের উচ্ছ্বাস। এই মিলনের পরিবেশ, উচ্ছ্বাসময় হাসি আর ছবিতে বন্দি মুহূর্তগুলো-সব মিলিয়ে ঈদগাহে আজকের দিনকে করেছে এক স্বতন্ত্র ও অম্লান স্মৃতি।
এমআর/এমআই

