শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ঢাকা

যাত্রীর ভিড় নেই গাবতলীতে, চাপ বাড়বে বিকেল থেকে

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৩:৪৬ পিএম

শেয়ার করুন:

bus
গাবতলী বাস টার্মিনালের সোমবারের চিত্র। ছবি- ঢাকা মেইল

পবিত্র ঈদুল ফিতরের আর মাত্র তিন বা চার দিন বাকি। ১৯ মার্চ থেকে শুরু হবে ছুটি। সেই হিসেবে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের চাপ নেই রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনালে। দুপুর পর্যন্ত সেখানকার কাউন্টারগুলোতে যাত্রীদের তেমন কোনো ভিড় দেখা যায়নি।

সোমবার (১৬ মার্চ) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত গাবতলী বাস টার্মিনাল সরেজমিন ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়। 


বিজ্ঞাপন


তবে পরিবহন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিকেল থেকে রাত ১২টা ১টা পর্যন্ত যাত্রীদের চাপ থাকবে। বর্তমানে চাকরিজীবীদের পরিবারের সদস্যরা, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী যারা হলে থাকেন, তারা বাড়ি ফিরছেন বলে জানা গেছে।

bus2

ঈদের সরকারি ছুটি যেহেতু ১৯ মার্চ থেকে শুরু হবে, ফলে তার আগের দিন থেকে চাঁদরাত পর্যন্ত যাত্রীদের প্রচন্ড চাপ থাকবে বলেও পরিবহণ সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। কারণ, তখন ঢাকায় অবস্থানরত বিভিন্ন শ্রেণির পেশাজীবীরা ঈদ উৎসব পালনে গ্রামে যাবেন।   

গাবতলীর হানিফ পরিবহণের কর্মী রুবেল ঢাকা মেইলকে বলেন, ‘সকালের দিকে কিছু যাত্রী গেছে। মূলত চাপ হবে বিকেল থেকে। সেই চাপ রাতে আরও বাড়বে।’


বিজ্ঞাপন


কুষ্টিয়া রুটের বাসে নিয়মিত যাতায়াত করেন সুজন আলী। তিনি ঢাকা মেইলকে বলেন, ‘এখন যাচ্ছি, কারণ এই মুহূর্তে চাপ কম। সন্ধ্যার পর গেলে চাপে পড়ব। টার্মিনালে এলাম, টিকেট কাটলাম, বাসে উঠলাম। তেমন ঝামেলা হয়নি।’

উত্তররের জেলা কুড়িগ্রাম যাওয়ার জন্য বন্ধুর অপেক্ষায় শাহানুর। তিনি বলছিলেন, ‘আমি ছাত্র। তাই আগেভাগে যাচ্ছি। বাসের টিকেট পাবো কি না জানি না, রানিং কোনো বাসে দুই বন্ধু উঠে যাবো।’

bus3

গাবতলীর আন্তঃ জেলা বাস টার্মিনালের ভেতরে শতাধিক বাস কাউন্টার। সেগুলোতে অন্য সময়ে যে ভীড় এবং হাঁকডাক থাকে, আজ তেমন চিত্র নেই। ফলে আজ এবং কাল (মঙ্গলবার) নির্বিঘ্নেই যেতে পারবেন ঈদযাত্রীরা। ১৯ মার্চ সকাল থেকেই শুরু হবে বাসে ওঠার যুদ্ধ। 

এদিকে সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী অতিরিক্ত ভাড়া না নেওয়ার ঘোষণা দিলেও রাজধানীর গাবতলীসহ বিভিন্ন বাস কাউন্টারগুলো তা থোড়াই কেয়ার করছে। কয়েকদিন আগে থেকেই বাড়তি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে যাত্রীরা অভিযোগ করছেন।

প্রতি বছর ঈদে দ্বিগুণ বা তার বেশি ভাড়া দিয়ে বাড়ি যেতে হয় ঘুরমুখো মানুষদের। বাধ্য হয়ে অনেকে এই চাপিয়ে দেওয়া খরচা মিটিয়ে বাসে ওঠেন, অনেকে আবার প্রতিবাদ করলে পরিবহণ শ্রমিকদের দুর্ব্যবহারের শিকার হন- এমন অভিযোগও রয়েছে।

এ বছরও রাজধানীর বিভিন্ন বাস টার্মিনালগুলোতে একই চিত্র। ফলে সরকার প্রতি বছর ঘোষণা দিয়ে দায় শেষ করলেও বাস্তবে তেমন কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায় না। ফলে বাধ্য হয়ে পরিবহণ মালিকদের খুশি করেই গন্তব্যে যেতে হয় ঈদযাত্রীদের।   

এমআইকে/এএইচ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর