বাহরাইনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের হামলায় নিহত বাংলাদেশি প্রবাসী আবুল মহসিনের পরিবারের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন চট্টগ্রাম ১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে মহসিনের একমাত্র মেয়ে তামান্নার পড়াশোনার দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) আবুল মহসিনের পরিবারের খোঁজখবর নিতে তার বাসভবনে ছুটে যান সাঈদ আল নোমান। এসময় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক শওকত আজম খাজাসহ বিএনপির স্থানীয় সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং নিহত আবুল মহসিনের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।
বিজ্ঞাপন
সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশি আবুল মহসিনের মর্মান্তিক অকাল মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। তার একমাত্র মেয়ে তাসনিম তামান্নার সঙ্গে কথা বলেছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের পক্ষ থেকে তার পড়াশোনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছি।
তিনি আরও জানান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলেছি। আমাদের ভাই, রেমিট্যান্সযোদ্ধা মহসিনের মরদেহ যত দ্রুত সম্ভব যথাযথ মর্যাদায় দেশে আনার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সাঈদ আল নোমান বলেন, প্রবাসে কর্মরত আমাদের ভাইয়েরা দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। তাদের ঘামে-রক্তে অর্জিত রেমিট্যান্স আমাদের উন্নয়নকে গতিশীল করছে। তাদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। তাদের অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
বিজ্ঞাপন
নাজিমুর রহমান বলেন, মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই আমরা মহসিনের পরিবারের পাশে আছি, আমরা নগর বিএনপির পক্ষ থেকে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।
গত সোমবার (২ মার্চ) স্থানীয় সময় ভোর ৩:৩০ মিনিটের দিকে বাহরাইনের সালমান ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ধ্বংস করা একটি ইরানি ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ বাংলাদেশর প্রবাসী আবুল মহসিনের মাথায় পড়লে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। নিহত মহসিন চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলার আজিমপুর ইউনিয়নের আজিমপুর এলাকার বাসিন্দা। তার পরিবার বর্তমানে চট্টগ্রামের হালিশহর এলাকায় বসবাস করছে। একই ঘটনায় নাজিম (৪৫) নামে আরও এক বাংলাদেশি শ্রমিক আহত হয়েছেন।
ইএইচ/জেবি

