মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ঢাকা

অর্থ সংকটে দুশ্চিন্তায় ঢাকার ২ সিটি প্রশাসক, চাইলেন থোক বরাদ্দ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩ মার্চ ২০২৬, ০৫:৫৪ পিএম

শেয়ার করুন:

অর্থ সংকটে দুশ্চিন্তায় ঢাকার ২ সিটি প্রশাসক, চাইলেন থোক বরাদ্দ
শফিকুল ইসলাম মিল্টন ও আবদুস সালাম। ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকা ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের তিন প্রশাসক। ঢাকার দুই সিটির পক্ষ থেকে তারা অর্থ সংকটের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর কাছে থোক বরাদ্দের অনুরোধ করেছেন।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে ঢাকা দক্ষিণের প্রশাসক আবদুস সালাম, উত্তর সিটির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন এবং গাজীপুরের প্রশাসক শওকত হোসেন সাক্ষাৎ করেন, জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।


বিজ্ঞাপন


সাক্ষাতের পর ঢাকার দুই সিটির প্রশাসক সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

‘দক্ষিণ সিটি: টাকা নেই, থোক বরাদ্দ চেয়েছি’

ঢাকা দক্ষিণের প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, গত কয়েক মাসে রাজস্ব খাত থেকে যেভাবে কালেকশন আসার কথা ছিল, তা আসেনি। অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর কম রাজস্ব এসেছে। বর্তমানে অর্থ সংকটের মধ্যে আমরা কাজ করছি। আমরা বিষয়টি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছি এবং সিটি করপোরেশন চালানোর জন্য থোক বরাদ্দ চেয়েছি। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি যে, আমাদের সংশ্লিষ্ট লোয়াল গভর্নমেন্ট মন্ত্রণালয় (লোকাল গভর্নমেন্ট মিনিস্ট্রি) আমাদের প্রকল্প ও কার্যক্রমে সহযোগিতা করবে।

তিনি আরও বলেন, বিগত প্রশাসকরা যে সব ওয়ার্ক অর্ডার দিয়েছেন, সেগুলো অনুযায়ী কাজ করলে সিটি করপোরেশন ধ্বংসের মুখে পড়বে। সেটা কোনোভাবেই করা সম্ভব নয়।


বিজ্ঞাপন


‘উত্তর সিটি: এখন ভঙ্গুর অবস্থায়’

উত্তর সিটির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন বলেন, করপোরেশন এখন ভঙ্গুর অবস্থায়। ফান্ড নেই অথচ ১৪৭০ কোটি টাকার টেন্ডার ও ওয়ার্ক অর্ডার রয়েছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পর সাবেক প্রশাসক ৩৪টি ফাইল সই করে গেছেন, যেখানে বিল দেওয়ার কথা। কিন্তু মূলত কোনো টাকাই নেই, মাত্র ২৫ কোটি টাকা আছে। রাজস্ব শাখা থেকে জানা যায়, ঢাকা উত্তর সিটির প্রতি মাসে বেতন আসে ১৩ কোটি টাকা, যার প্রায় ১২ কোটি টাকা প্রয়োজন মেটাতে যায়।

picture

তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। আমরা হতাশ নই। জনকল্যাণের জন্য যতটুকু সম্ভব সেবা দিতে আমরা প্রস্তুত। আমাদের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করব।

‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা’

দক্ষিণ সিটির প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মূল নির্দেশনা হলো: পরিচ্ছন্ন ঢাকা, সবুজায়ন এবং মশার উপদ্রুপ থেকে নগরবাসীকে রক্ষা। বর্ষা আসছে, ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়বে, তাই মশা নিয়ন্ত্রণ ও ঢাকা শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখা অত্যন্ত জরুরি। শহরকে বর্জ্য উৎপাদনের কারখানা থেকে মুক্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর ঢাকা দক্ষিণ, ঢাকা উত্তর ও গাজীপুর মিলিতভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছি। খাল খনন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান ইতিমধ্যে শুরু করেছি। ঢাকা দক্ষিণে এক মাসের জন্য ক্র্যাশ প্রোগ্রাম চালু করেছি।

বিইউ/এআর

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর