মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ঢাকা

রমজানে বাংলাদেশের জন্য সৌদি আরবের বিশেষ কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৪ এএম

শেয়ার করুন:

রমজানে বাংলাদেশের জন্য সৌদি আরবের বিশেষ কর্মসূচি

সৌদি আরব ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে। গত এক বছরে বাংলাদেশ থেকে রেকর্ড সংখ্যক প্রায় ৭ লাখ ৫০ হাজার কর্মী নিয়োগ দিয়েছে সৌদি আরব। এই ধারা ভবিষ্যতে আরও জোরদার করার পাশাপাশি পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে বাংলাদেশে বিশেষ ধর্মীয় ও মানবিক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দেশটি।

ঢাকাস্থ সৌদি দূতাবাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সম্প্রতি দূতাবাসের মুখপাত্র ইয়াসির শেসহাহ জানান, গত বছর বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৭ দশমিক ৫ লাখ কর্মী সৌদি আরবে কর্মসংস্থান পেয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, শুধু শ্রমবাজার নয়, বাণিজ্যসহ সব ক্ষেত্রেই দুই দেশের সম্পর্ক প্রসারিত হচ্ছে। ইয়াসির শেশাহর মতে, বাংলাদেশ ও সৌদি আরব বর্তমানে একটি পারস্পরিক লাভজনক অবস্থানে রয়েছে।


বিজ্ঞাপন


সৌদি আরবের ইসলামিক বিষয়ক, দাওয়াহ ও গাইডেন্স মন্ত্রণালয় বাংলাদেশে ‘রমজান ইমাম প্রোগ্রাম’ চালু করেছে। এই কর্মসূচির অংশ হিসাবে সৌদি আরব থেকে ছয়জন অভিজ্ঞ ইমাম বাংলাদেশে আসছেন।তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন শহরের মসজিদে তারাবীহ ও কিয়ামুল লাইল নামাজ পরিচালনা করবেন। নামাজের পাশাপাশি তারা আরবি ভাষা শিক্ষা ও প্রসারে বিশেষ ভূমিকা রাখবেন।

bss

ইফতার ও সামগ্রী বিতরণ
খাদেমুল হারামাইন আশারিফাইন বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আযীয-আল সাউদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম হলো ‘ইফতার আয়োজন’। যার অংশ হিসাবে রমজান মাস জুড়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে অসহায় ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য নিয়মিত ইফতারের ব্যবস্থা করা হবে। দ্বিতীয়ত হলো ‘উপহার সামগ্রী’ দেওয়া। এই কর্মসূচীর আওতায় সৌদি দূতাবাসের তত্ত্বাবধানে ইতোমধ্যে ৪০ টন খেজুর এবং ১৪ হাজার ৫০০ কপি পবিত্র কুরআন বিতরণ করা হয়েছে।

ঢাকাস্থ সৌদি দূতাবাসে আয়োজিত এই বিশেষ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ বিন জাফের বিন আবিয়াহ এবং রিলিজিয়াস এটাচে মুবারক বিন আমক আল-আনজি। এছাড়াও অনুষ্ঠানে দূতাবাসের রাজনৈতিক ও মিডিয়া পরিচালক ইয়াসির শেশাহ, ড. এমদাদউল্লাহ এবং মুহাম্মদ মাসুদুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


বিজ্ঞাপন


sss

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, এই কর্মসূচিগুলো কেবল ধর্মীয় কার্যক্রম নয়, বরং দুই দেশের জনগণের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ও দীর্ঘমেয়াদী সহযোগিতার প্রতিশ্রুতিরই বহিঃপ্রকাশ।

/ একেবি/

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর