ভুয়া মুক্তিযোদ্ধারা অন্যায়ভাবে যে আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন, তা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
সোমবার (২ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
বিজ্ঞাপন
শেখ হাসিনার সময় মুক্তিযোদ্ধাদের ভুয়া তালিকা হয়েছিল এবং সেই তালিকার সূত্র ধরে সম্প্রতি অনেকে বাদ পড়ছেন এবং ভুয়া সচিবও শনাক্ত হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ছিল প্রায় এক লাখ। পরবর্তীতে তা বেড়ে আড়াই লাখে দাঁড়িয়েছে, যার মধ্যে বিপুলসংখ্যক ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। বিগত সরকারের আমলে ১৬ জন সচিব ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রমাণিত হওয়ায় তাদের ভাতা বাতিল করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘বর্তমানে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল দেশের বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে তালিকা যাচাই-বাছাই করছে। ইতোমধ্যে ৩০০ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং এ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’
প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা যেন সব ধরনের সুবিধা পান, সে বিষয়ে সরকার উদ্যোগী বলেও জানান হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
বিজ্ঞাপন
এমআইকে/এএইচ

