এবারের একুশের বইমেলায় কোনো ধরনের মব বা উচ্ছৃঙ্খল জনতার মাধ্যমে কোনো ধরনের অনকাঙ্খিত ঘটনার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার সারোয়ার জাহান। তবে কেউ কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করলে পুলিশ সর্বোচ্চ প্রস্তুত থাকবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) মেলার নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও স্থল পরিদর্শন শেষে এসব কথা জানান।
বিজ্ঞাপন
তিনি জানান, এবারের বইমেলাকে কেন্দ্র করে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়াও থাকবে সাদা পোশাকের পুলিশের বিশেষ টিম। ক্লোজসার্কিট ক্যামেরায় মেলার চারপাশে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হবে। রাতেও মেলার নিরাপত্তার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা করবেন। কেউ কোনো প্রকার ধাতব বস্তু বা ধারালো অস্ত্র বা বিস্ফোরক জাতীয় কিছু নিয়ে মেলায় প্রবেশ করতে পারবে না। মেলায় থাকা কন্ট্রোল রুম থেকে চব্বিশ ঘণ্টা মেলার নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ ও মনিটরিং করা হবে।
অতিরিক্ত কমিশনার আরও জানান, মেলায় ধর্ম অবমাননা বা উসকানিমূলক কোনো বই যাতে না আসে, সে বিষয়ে পুলিশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তীক্ষ্ণ নজরদারি চালাবে। বইমেলার পবিত্রতা ও নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলা একাডেমি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ আশপাশের এলাকায় কয়েক স্তরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ইউনিফর্মধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিশেষ টিম সাবক্ষণিক মেলা প্রাঙ্গণে মোতায়েন থাকবে।
তিনি বলেন, ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা প্রাতিমিংশ ক্যামেরার মাধ্যমে মেলার ভিতরে এবং চারপাশে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হবে। ডগ স্ক দ্বারা মেলা প্রাঙ্গণ এবং আশেপাশের এলাকা সুইপিং করা হবে। হকার বখাটে ছিন্তাইকারী ও পকেটমারের তৎপরতা রোধে বিশেষ টিমের ব্যবস্থা থাকবে। মেলা আগত নারী ও শিশুদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। বইমেলা কেন্দ্রিক বিভিন্ন প্রবেশপথে নিরাপত্তা ব্যারিকেড স্থাপন করা হবে। এছাড়াও মেলার আশপাশে চেকপোস্টের ব্যবস্থাও থাকবে।
বিজ্ঞাপন
বইমেলা প্রাঙ্গণের ফায়ার টেন্ডার ও প্রাথমিক চিকিৎসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকবে। রাত্রিকালে পর্যাপ্ত সার্চলাইটের ব্যবস্থা থাকবে। জরুরি পরিস্থিতির মোকাবেলায় আমাদের ডিবি সিডিসি বম ডিসপোজাল ইউনিটস যেটা ডিএমপি স্পেশালাইজড ট্রেনিং প্রাপ্ত টিমসহ অন্যান্য টিমগুলো সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে।
এমআইকে/এমআই

