বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ঢাকা

প্রথমে যেসব উপজেলায় দেওয়া হবে ফ্যামিলি কার্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:০২ পিএম

শেয়ার করুন:

প্রথমে যেসব উপজেলায় দেওয়া হবে ফ্যামিলি কার্ড
প্রতীকী ছবি

আগামী ১০ মার্চ প্রাথমিকভাবে দেশের ১৪টি উপজেলায় বিতরণ করা হবে ফ্যামিলি কার্ড। সেদিন এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। প্রতি কার্ডে প্রতি মাসে দেওয়া হবে আড়াই হাজার টাকা।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগে ‘ফ্যামেলি কার্ড’ বিষয়ক এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে যে ১৪ এলাকায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে সেগুলোর মধ্যে ১৩টি হলো- বনানীর কড়াইল বস্তি, পাংশা, পতেঙ্গা, বাঞ্ছারামপুর, লামা, খালিশপুর, চরফ্যাশন, দিরাই, ভৈরব, বগুড়া সদর, লালপুর, ঠাকুরগাঁও ও নবাবগঞ্জে। একটির নাম আপাতত জানা যায়নি।

সভায় জানানো হয়, শুরুতে দুটি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প চালানোর পরিকল্পনা থাকলেও তা সম্প্রসারণ করে দেশের ১৪টি উপজেলার ১৪টি ওয়ার্ডে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে খবর, প্রতিটি ফ্যামিলি কার্ডে পাঁচজন সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বড় পরিবারের ক্ষেত্রে প্রতি পাঁচজনের জন্য আলাদা কার্ড দেওয়া হবে। একই ব্যক্তি একাধিক ভাতা পাবেন না, তবে পরিবারের অন্যান্য সদস্য ভাতা পেতে পারবেন।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারকে সুসংগঠিতভাবে সহায়তা দেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে।

ফ্যামিলি কার্ড পেতে হলে আগে যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে আবেদন করতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) ভিত্তিতে একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেস তৈরি করা হবে। এতে প্রতিটি পরিবারের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। ফলে অনিয়ম, ভুয়া তালিকা ও মধ্যস্বত্বভোগীর সুযোগ কমবে।

উপকারভোগী নির্বাচন জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) তথ্যের মাধ্যমে করা হলেও আর্থিক তথ্য না থাকায় নির্বাচিত ওয়ার্ডে সরেজমিন যাচাই-বাছাই করে সুবিধাভোগী চূড়ান্ত করা হবে। পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত চারটি শ্রেণিতে ভাগ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত পরিবারগুলো নিয়মিত নগদ অর্থ সহায়তা হিসেবে প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা পাবে। বিশেষভাবে পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর হাতে এই অর্থ পৌঁছে দেওয়া হবে, যা নারীর ক্ষমতায়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

এএইচ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর