বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ঢাকা

অভিযানে বাধা ও মার্কেট বন্ধের হুমকির প্রতিবাদে ক্যাবের মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:৫৭ পিএম

শেয়ার করুন:

Consumers Association of Bangladesh
জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর মানববন্ধন কর্মসূচি

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বাজার তদারকি অভিযানে বাধা প্রদান এবং মার্কেট বন্ধের হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি।


বিজ্ঞাপন


মানববন্ধন শেষে বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

পাশাপাশি ক্যাবের পক্ষ থেকে সারাদেশে জেলা শহরে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালনের কথাও জানানো হয়।

কর্মসূচিতে ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবীর ভূঁইয়া বলেন, ‘দেশের ভোক্তাদের অধিকার রক্ষায় জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর দায়িত্বশীল ভূমিকা রেখে চলেছে।

‘কিন্তু ঢাকার চকবাজারের মৌলভী বাজার ব্যবসায়ীক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আলী ভুট্টো সরকারি কার্যক্রমে অনৈতিকভাবে বাধা দিয়েছেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনগণের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।’


বিজ্ঞাপন


কর্মসূচিতে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘নবনির্বাচিত সরকারের উচিত ব্যবসায়ী মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য ও মব সন্ত্রাস বন্ধ করা এবং বাজার সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া।’

ক্যাবের ঢাকা বিভাগীয় কমিটির সভাপতি বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) সামছু এ খান বলেন, ‘দেশের ১৮ কোটি জনগণই ভোক্তা, ব্যবসায়ীরাও এর বাইরে নন। নতুন সরকারকে বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।’

কর্মসূচিতে ক্যাবের সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মিজানুর রহমান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য শওকত আলী খান, বাংলাদেশ নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ বক্তব্য দেন।

বাজারে শৃঙ্খলা ও ভোক্তা সুরক্ষা নিশ্চিতে মানববন্ধন থেকে পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। এগুলো হলো-

১. বাজার তদারকি অভিযানে বাধা ও মার্কেট বন্ধের হুমকির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী দ্রুত, কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা।

২. তদারকি অভিযান নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয় সহায়তা নিশ্চিত।

৩. ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর পূর্ণাঙ্গ প্রয়োগ এবং অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি, অস্বচ্ছ লেনদেন ও কৃত্রিম সংকটের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি।

৪. পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ে বৈধ ক্যাশ মেমো সংরক্ষণ ও প্রদর্শন বাধ্যতামূলক এবং ব্যত্যয়ে কঠোর শাস্তি।

৫. ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে ব্যবসায়ী সংগঠনের জবাবদিহিতা ও নিয়মিত বাজার মনিটরিং এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত কার্যক্রম জোরদার।

বক্তারা বলেন, ভোক্তা সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এসব দাবির দ্রুত বাস্তবায়ন জরুরি।

এমআর/এএম

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর