কৃষিজমিতে ক্ষতিকর ভারী ধাতুর (হেভি মেটাল) মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় মাটির উর্বরতা হ্রাস এবং জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলে সতর্ক করেছেন কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী হাজী আমিনুর রশীদ ইয়াছিন।
এই সমস্যা সমাধানে সরকার বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে তিনি জানান, গোমতী নদীর চর থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটা রোধে এখন থেকে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে।
বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে কুমিল্লা সার্কিট হাউজে কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। নদী ও আবাদি জমি রক্ষায় কঠোর অবস্থান ঘোষণা করে তিনি বলেন, ‘আজ থেকে গোমতীর এক ইঞ্চি মাটিও কাউকে কাটতে দেওয়া হবে না।’
কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান। সভায় কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তার বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। মন্ত্রী মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মাটির গুণাগুণ বজায় রাখতে এবং অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
অনুষ্ঠানে মৎস্য অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রউফ, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. আবু সুফিয়ান, পরিচালক শামসুল আলম এবং চট্টগ্রাম আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রণ দফতরের পরিচালক এস এম কায়সার আলীসহ বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিনিধি/একেবি
বিজ্ঞাপন

