মানুষের পাহাড় সমান প্রত্যাশা পূরণে নিরন্তর কাজ করে যাব বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে সামনে প্রথম কার্যদিবসে সাংবাদিকদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
বিজ্ঞাপন
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘গণতন্ত্র রক্ষা ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় যারা ১৭ বছর ধরে জীবন দিয়েছে তাদের কথা স্মরণে রেখেই কাজ করব। চ্যালেঞ্জের আছে। মানুষের পাহাড় সমান যে প্রত্যাশা তা পূরণে নিরন্তর কাজ করে যাব।’
ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার বারইপাড়া গ্রামের প্রয়াত স্কুলশিক্ষক বাবার ছয় সন্তানের মধ্যে মেঝো তিনি। দুই কন্যা সন্তানের জনক আসাদুজ্জামান। তিনি ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে ভর্তি হন। সেখান থেকে তিনি এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। ১৯৯৫ সালে তিনি বার কাউন্সিলের আইনজীবী হিসেবে নথিভুক্ত হন। ১৯৯৬ সালে তিনি হাইকোর্ট ডিভিশনে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করেন। এরপর ২০০৫ সালে আপিলেট ডিভিশনে নিয়োগ পান।
অ্যাডভোকেট আসাদ আইন পেশায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট দেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান। সে সময় বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়ন, মামলা জট কমানো, আইনের শাসন শক্তিশালী করা এবং নাগরিক অধিকার সুরক্ষায় তার প্রস্তাবগুলো ব্যাপক গুরুত্ব পায়। এসব অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে তাকে বর্তমান সরকারের নবগঠিত মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেলেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
এর আগে গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-১ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭১ হাজার ৫৯৮ ভোট পান অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আবু ছালেহ মো. মতিয়ার রহমান পেয়েছিলেন ৫৫ হাজার ৫৭৮ ভোট।
বিইউ/এমআই

