রোববার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ঢাকা

প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবন হচ্ছে যেখানে

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:৩৯ পিএম

শেয়ার করুন:

Jamuna
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার ফটক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট এরই মধ্যে প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। সামনে রয়েছে কয়েকদিনের মধ্যে সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান। এছাড়া এবার প্রথমবারের মতো সংসদের উচ্চ কক্ষ গঠন হবে। রয়েছে মন্ত্রিপরিষদ গঠনসহ নানা প্রক্রিয়া। চলছে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন প্রস্তুতের কার্যক্রমও। এরই মধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে বাসভবনের স্থান। 

গত বছরের ৭ জুলাই নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নির্ধারণের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম। স্থাপত্য অধিদপ্তর, সংসদ সচিবালয় এবং এসএসএফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই কমিটিতে আছেন।   


বিজ্ঞাপন


আরও পড়ুন:

হাসিনার সেই গণভবন এখন যেমন

গণভবনে তিন ঘণ্টা

গণভবন হচ্ছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের’ স্মৃতি জাদুঘর

 

 

PM_house
প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবিত বাসভবন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পাশে

 

জাতীয় সংসদ ভবন এলাকার ভেতরে অবস্থিত স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবনকে একীভূত করে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন বানানোর যে প্রাথমিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, সেখান থেকে সরে এসেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের নীতিনির্ধারকরা। দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন কোথায় হবে-সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের ওপর ছেড়ে দিয়েছে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গণভবন সংলগ্ন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্থাপনায় প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবন প্রস্তুত হবে। তার আগ পর্যন্ত যমুনায় (বর্তমান প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন) উঠবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী। শপথের পরপরই তিনি সেখানে উঠবেন। এক্ষেত্রে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায় প্রক্রিয়ার জন্য কিছুটা সময় লাগতে পারে। এছাড়া রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পুরনো বাণিজ্যমেলার মাঠে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নতুন বাসভবন তৈরি হবে। সেটিই হবে চূড়ান্ত বাসভবন।    

jamuna
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টিতে জয় পেয়েছে। ফল ঘোষণা স্থগিত থাকা দুটি আসনেও বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। তাদের শরিকেরা পেয়েছে তিনটি আসন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের অন্য শরিকেরা পেয়েছে ৯টি আসন।

ক.ম/ 

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর