আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি অতীতের যেকোনো নির্বাচনের তুলনায় বেশি হতে পারে বলে আশা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিশেষ করে তরুণ ও নারী ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। এর প্রেক্ষিতে ভোটের হার ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশে পৌঁছাতে পারে বলে মনে করছেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বিজ্ঞাপন
নির্বাচন কমিশনার জানান, বর্তমানে দেশে মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ১৩ কোটি। এর মধ্যে প্রায় ৪ কোটি তরুণ ভোটার। এই বিশাল সংখ্যক তরুণকে কেন্দ্রে উপস্থিত করানোর জন্য কমিশন বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির সময়ও ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল।
তিনি বলেন, ‘তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ভোট দেওয়ার স্পৃহা এবার অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। যদি এই ৪ কোটি তরুণের একটি বড় অংশ কেন্দ্রে আসে, তবে ভোট কাস্টিংয়ের হারে বড় পরিবর্তন আসবে।’
মোট ভোটারের প্রায় অর্ধেকই নারী। বিগত নির্বাচনের অভিজ্ঞতা স্মরণ করিয়ে আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, প্রচার-প্রচারণা ও কেন্দ্রে উপস্থিতির ক্ষেত্রে নারী ভোটারদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। এবার সেই উদ্দীপনা আরও বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নারী ভোটারদের এই আগ্রহ ভোটের দিনে বজায় থাকলে তা মোট ভোটের হারে বড় প্রভাব ফেলবে।
তিনি আরও বলেন, ‘পরিবেশ ও পরিস্থিতি অনুকূলে থাকায় ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা তুঙ্গে রয়েছে। সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রচার-প্রচারণার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে ভোট দেওয়ার মানসিকতা তৈরি হয়েছে, তাকেই এই ইতিবাচক পরিবর্তনের মূল কারণ হিসেবে দেখছি।’

