রোববার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ঢাকা

১৪ হাজার সাংবাদিকের তথ্য ফাঁসের অভিযোগ নাকচ করল ইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৫৮ পিএম

শেয়ার করুন:

১৪ হাজার সাংবাদিকের তথ্য ফাঁসের অভিযোগ নাকচ করল ইসি
নির্বাচন কমিশন। ফাইল ছবি

অনলাইনে সাংবাদিক কার্ডের জন্য আবেদন করা প্রায় ১৪ হাজার সাংবাদিকের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হয়েছে- এমন অভিযোগ নাকচ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। 

কমিশনের দাবি, তাদের ওয়েবসাইটে কিছু সময়ের জন্য আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট তথ্য দৃশ্যমান ছিল, তবে কোনো তথ্য ডাউনলোড বা অপব্যবহারের সুযোগ ছিল না।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ইসির ওয়েবসাইট থেকে ১৪ হাজার সাংবাদিকের তথ্য ফাঁসের অভিযোগের প্রেক্ষিতে এমন ব্যাখ্যা দিয়েছে সংস্থাটি।

ইসির জনসংযোগ পরিচালক রুহুল মল্লিক জানান, সাংবাদিকদের আপত্তির মুখে গত বৃহস্পতিবার ওয়েবসাইটে তাদের আবেদনের বিষয়টি ক্লোজ করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে শনিবার পর্যবেক্ষকদের আবেদনের পথটিও বদ্ধ করা হচ্ছিল। 

এই সময়ের আগে নিবন্ধনকারীদের মধ্যে যারা নিজের ড্যাশবোর্ডে লগইন করেছেন, তারা অ্যাডমিন প্যানেলও দেখতে পেয়েছেন। কাজেই তথ্য ফাঁসের বিষয়টি সঠিক নয়। কিছু সময়ের জন্য এনআইডি, নাম এমন তথ্যগুলো দেখা গেছে। কিন্তু ডাউনলোডের সুযোগ ছিল না।

তিনি বলেন, তথ্য তো কেউ ফাঁস করেনি। আমাদের সাইটে কাজ করার সময় ওপেন ছিল। এটা হ্যাক করে বা অন্য কোনো পন্থায় কেউ তথ্য নিয়ে কোনো অপকর্মও করেছেন বলে অভিযোগ আসেনি।

অনেকেই অভিযোগ করেছেন, পেশাদার কোনো ফার্ম নয়, বরং এআই দিয়ে ওয়েবসাইটি তৈরি করা হয়েছে। 

এ প্রসঙ্গে রুহুল আমিন মল্লিক বলেন, এটা আমাদের নিজস্ব প্রোগ্রামাররা তৈরি করেছেন। এআই দিয়ে এতো গুরুত্বপূর্ণ একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা যায় নাকি।

সম্প্রতি pr.ecs.gov.bd ওয়েবসাইটটি ডেভেলপ করে ইসি। নির্বাচন দেখার জন্য প্রথমবারের মতো গণমাধ্যমকর্মী ও পর্যবেক্ষকদের এই সাইটটির মাধ্যমে আবেদন নিচ্ছিল সংস্থাটি। 

তবে নানা তথ্য সরবরাহগত জটিলতায় সাংবাদিকরা ঘোর আপত্তি জানালে সে উদ্যোগ থেকে সরে আসে কমিশন। ফলে আগের মতো এবারও ম্যানুয়ালি আবেদন নিয়ে যাচাইয়ের পর সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক কার্ড দেওয়া হবে।

ইসির আগের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রথমে ওয়েবসাইটে এনআইডি, ফোন নম্বর দিয়ে নিবন্ধন করতে হতো। নিবন্ধন সম্পন্ন হলে পরবর্তীতে নিজের ড্যাশবোর্ডে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও দলিলালি আপলোড করে আবেদন সম্পন্ন করতে হতো। ইতিমধ্যে অনেকেই সেই আবেদন সম্পন্ন করেছিলেন। এখন অভিযোগ ওঠছে সেই আবেদনকারীদের তথ্য ফাঁস হয়েছে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের জন্য চলতি সপ্তাহেই পাস দিতে পারে ইসি। এবার সাড়ে ৫৫ হাজার দেশি পর্যবেক্ষকের ভোট পর্যবেক্ষণের কথা রয়েছে।

এমএইচএইচ/এএইচ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর