প্রায় দেড় দশক পর বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে আবারও সরাসরি বিমান চলাচল শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে দুই দেশের মধ্য প্রথম ফ্লাইট পরিচালিত হয়। বাংলাদেশ থেকে প্রথম ফ্লাইট দেশটিতে পৌঁছালে বিশেষ সংবর্ধনা দেয় পাকিস্তান।
ওই রাত ৮টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ১৫০ জন যাত্রী নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রথম ফ্লাইট বিজি-৩৪১ পাকিস্তানের করাচির উদ্দেশে ছেড়ে যায়। করাচিতে বিমানটি পৌঁছায় স্থানীয় সময় রাত ১১টায়।
বিজ্ঞাপন
পাকিস্তানের গণমাধ্যমগুলো বলছে, প্রথম ফ্লাইটটি পৌঁছানোর পর অভূতপূর্ব সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। সেখানে বিমানটি ঐতিহ্যবাহী ওয়াটার ক্যানন স্যালুটের মাধ্যমে বরণ করে নেওয়া হয়।
এরআগে ঢাকায় উদ্বোধনী ফ্লাইটকে বিদায় জানান বিমান ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। তার সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দারও। এসময় উভয় দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন:
১৪ বছর পর ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু
উপদেষ্টা বশিরউদ্দিন বলেন, ‘ঢাকা-করাচি রুট চালু হওয়ায় আঞ্চলিক সংযোগ বাড়বে।’
বিজ্ঞাপন
‘দুই দেশের পর্যটন খাত বিকশিত হবে এবং জনগণের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ আরও শক্তিশালী হবে’, যোগ করেন তিনি।
ধাপে ধাপে এই রুটে ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ানো হবে বলেও জানান উপদেষ্টা। পাশাপাশি ভাড়া কমিয়ে ভ্রমণ আরও সহজ করা হবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
আরও পড়ুন:
ঢাকা টু করাচি বিমান ভাড়া কত?
এসময় পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের দৃষ্টিভঙ্গির কথা স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে সংযোগ জোরদার করাই ছিল নেতৃত্বের মূল লক্ষ্য।’
এদিকে পাকিস্তান হাইকমিশন এক বার্তা জানায়, সরাসরি ফ্লাইট চালু হওয়া দুই দেশের মধ্যে সংযোগ, যোগাযোগ এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
এএম

