মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে উৎপাদন ব্যয় কমাতে ১০০ কোটি টাকার ভর্তুকি দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। যার আওতায় খামারি ও হ্যাচারি মালিকদের জন্য বিদ্যুৎ বিলে ২০ শতাংশ রিবেট (ছাড়) প্রদান করা হবে। এ লক্ষ্যে গত ২২ জানুয়ারি একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
মন্ত্রণালয় বলছে, প্রান্তিক পর্যায়ের মৎস্য খামার ও হ্যাচারি এবং গবাদিপশু ও পোল্ট্রি খামারের উৎপাদন ব্যয় হ্রাসের উদ্দেশ্যে ভর্তুকির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতকে বিদ্যুৎ রিবেট সুবিধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষিপণ্য রপ্তানিতে উৎসাহ প্রদান এবং কৃষিভিত্তিক শিল্পকে আরও উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে বিদ্যুৎ রিবেট সংক্রান্ত নীতিমালার আওতায় মোট ১৬টি খাতে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ রিবেট প্রদান করা হচ্ছে।
এর মধ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট চারটি খাতে অর্থ বিভাগ ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি প্রদানের নীতিগত অনুমোদন দেয়।
ভর্তুকির আওতাভুক্ত খাতগুলো হলো- পশু ও পোল্ট্রি খাদ্য প্রস্তুতকারী শিল্প, ফিস ফিড উৎপাদন শিল্প, পোল্ট্রি শিল্প এবং দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাত শিল্প।
দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাত শিল্পের মধ্যে দুধ পাস্তুরিতকরণ, গুঁড়ো দুধ, আইসক্রিম, কনডেন্সড মিল্ক, মিষ্টান্ন, পনির, ঘি, মাখন, চকোলেট ও দই উৎপাদন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে উৎপাদন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি শিল্পখাতে বিনিয়োগ বাড়বে এবং নিরাপদ ও মানসম্মত প্রাণিজ আমিষ উৎপাদনে দেশ আরও স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠবে বলেও আশা করা হচ্ছে।
এমআর/এএম




