সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা শুধু মুখে নয়, কাজেও প্রমাণ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক এ এস এম আমানু্ল্লাহ।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকালে রাজধানীর বেইলী রোডের পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স মিলনায়তনে একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বৌদ্ধতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়াকে দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপাচার্য এ মন্তব্য করেন। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
অধ্যাপক এ এস এম আমানুল্লা বলেন, ‘বাংলাদেশের অন্যান্য জেলার একটি উপজেলায় যে পরিমাণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে, পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলা মিলেও এই পরিমাণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই। এখানকার ছেলে মেয়েরা ইন্টারমিডিয়েট পড়তে চট্টগ্রামসহ অন্যান্য জায়গায় আসতে হয়। তবে এর পেছনে কি উদ্যোগের অভাব না অন্য কিছু তা আমি জানি না।’
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পার্বত্য চট্টগ্রামের এ তিনটি জেলায় আরও কিছু সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউট ও কলেজ স্থাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জানিয়ে অধ্যাপক আমানুল্লা বলেন, এ জন্য আমরা আপনাদের সহযোগিতা চাই। আপনার এগিয়ে এলে আমরা সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি করতে পারবো তাড়াতাড়ি, আর যদি কলেজ চান সেটাও আমরা করে দিতে পারবো। এখন যে পরিমাণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে তার দ্বিগুণ প্রতিষ্ঠান করে দেওয়ার জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সহযোগিতা করবে।’
বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান ভবেশ চাকমার সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আ.ফ.ম খালিদ হোসেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামাল উদ্দিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান, ঢাকায় নিযুক্ত শ্রীলঙ্কার হাইকমিশনার এইচ ই ধর্মপালা উইরাক্কোড্ডি, পার্বত্য ভিক্ষু সংঘের সংঘরাজ ভদন্ত প্রজ্ঞানন্দ মহাথের, বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি ভদন্ত বুদ্ধপ্রিয় মহাথের, আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহার ঢাকার অধ্যক্ষ ভদন্ত ধর্মমিত্র মহাথের ও বাংলাদেশ বৌদ্ধ বিহার ঢাকার অধ্যক্ষ ভদন্ত মুদিতাপাল থেরো প্রমুখ।
ক.ম/

