রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীর একটি বাসায় ফাতেমা আক্তার নামে ১৫ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন এক রেস্তোরাঁকর্মীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। তার নাম মিলন।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে এক খুদেবার্তায় এই তথ্য জানায় এলিট ফোর্সটি। তবে কখন ও কোথা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে তা জানানো হয়নি।
বিজ্ঞাপন
গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে দক্ষিণ বনশ্রীর এল ব্লকের ‘প্রীতম ভিলা’ নামের একটি বাসা থেকে ওই স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিহত ফাতেমা আক্তার বনশ্রীর রেডিয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে মা-বাবা, ভাই ও বোনের সঙ্গে ওই বাসায় থাকতো। তাদের গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায়। ফাতেমার বাবা সজীব মিয়া বনশ্রী এলাকায় একটি রেস্তোরাঁ পরিচালনা করেন।
ঘটনার দুই দিন আগে ফাতেমার মা-বাবা ও ভাই হবিগঞ্জে গ্রামের বাড়িতে যান। ঢাকায় ফাতেমা ও তার বোন ছিল। বিকেলে ফাতেমার বোন জিমে যান। ফিরে এসে ফাতেমার গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান। এ সময় বাসায় কেউ ছিল না।
পুলিশ জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজে ঘটনার দিন তাদের রেস্তোরাঁর এক কর্মী মিলনকে ওই বাসায় ঢুকতে দেখা যায়। পুলিশের ধারণা, বাসায় লুটপাটের চেষ্টা চলাকালে ফাতেমা বাধা দিলে একপর্যায়ে তাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়।
বিজ্ঞাপন
খিলগাঁও থানার ওসি শফিকুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, এ ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই ফাতেমার বাবার রেস্তোরাঁর এক কর্মী গা ঢাকা দেন।
এমআর

