কদমতলী থানা এনসিপির ‘নিখোঁজ’ সদস্য মো. ওয়াসিম আহমেদ মুকছানকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) কদমতলী মেরাজনগর এলাকার একটি মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।
এর আগে রোববার (৪ জানুয়ারি) ভোরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিচয়ে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় ওয়াসিমকে। ঘটনার তিন দিন পর তার খোঁজ মিলল।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার কদমতলী থানায় নিখোঁজ সাধারণ ডাইরি (জিডি) করেন এনসিপি নেতা ওয়াসিম আহমেদের স্ত্রী শারমিন আক্তার টুম্পা।
তিনি জিডিতে উল্লেখ করেন, তার স্বামী ওয়াসিম আহমেদকে রোববার ভোর ৫টার সময় কদমতলী রাজাবাড়ী আলী বহর এলাকায় তার ভাড়া বাসা থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিচয়ে ৫-৬ জন ব্যক্তি তুলে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় পুলিশ জানায়, ঘটনা জানার পর তাৎক্ষণিক কদমতলী থানা পুলিশ ঘটনাটি তদন্তে নামে এবং ভুক্তভোগীকে উদ্ধারে তার বাবা-মা, ভাইদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। কিন্তু তারা কোনো বস্তুনিষ্ঠ তথ্য দিয়ে সহায়তা করেনি।
পরে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় কদমতলী থানা পুলিশ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) কদমতলী মেরাজনগর এলাকার একটি মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র থেকে নিখোঁজ ওয়াসিম আহমেদকে উদ্ধার করে।
ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপ-কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিজ্ঞাপন
তিনি জানান, নিখোঁজ ওয়াসিম ও তার স্ত্রী আলাদা ভাড়া বাসায় থাকতেন। ওয়াসিম মাদকাসক্ত হওয়ায় পরিবারের সম্মতিতে ছোট ভাই রাকিব তার স্ত্রীর অজ্ঞাতসারে ঘটনার দিন তাকে স্থানীয় একটি মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করান। ভোরে মাদকাসক্তদের নিরাময় কেন্দ্রে আনা সহজ হয় বিধায় তারা এই সময়টি বেছে নেয়।
তবে এ ক্ষেত্রে নিখোঁজ ওয়াসিমকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে তুলে আনার সত্যতা পাওয়া যায়নি। উদ্ধারের পর ওয়াসিমকে তার স্ত্রীর আবেদনের প্রেক্ষিতে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের উপস্থিতিতে স্ত্রী শারমিন আক্তার টুম্পার কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ বিষয়ে ডিএমপির কদমতলী থানার ওসি মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, ওয়াসিমের পরিবার তাকে মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করে। কিন্তু তারা আমাদের কোনো তথ্য দেয়নি। এদিকে ওয়াসিমের স্ত্রী থানায় এসে জিডি করেন।
এএইচ

