সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ঢাকা

হাদি হত্যা: ফয়সাল ও আলমগীরের অবস্থান জানার চেষ্টায় র‌্যাব

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:১৬ পিএম

শেয়ার করুন:

Hadi
ছবির ডানপাশে ওসমান হাদির হত্যাকারী ফয়সাল করিম ও তার সহযোগী আলমগীর।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যকাণ্ডে প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীরের অবস্থান জানার এবং গ্রেফতারের চেষ্টা করছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন- র‌্যাব। 

রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ানবাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান বাহিনীটির মহাপরিচালক (ডিজি) একেএম শহিদুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘এ হত্যাকাণ্ডে আরও কারা কারা যারা জড়িত ছিল, এই বিষয়গুলো আপনারা জানতে পারছেন। আমরা এই মামলায় যে মূল আসামি ফয়সাল ও আলমগীর তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছি। এই হত্যাকাণ্ডটি যারা এবং যে সংস্থা তদন্ত করছে, তারাই এ বিষয়ে ভালো বলতে পারবে।’ 

ফয়সালের অবস্থান নিয়ে বিভিন্নরকম তথ্য প্রচার হচ্ছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে র‌্যাব ডিজি বলেন, ‘আমরা তার অবস্থান শনাক্ত করার চেষ্টা করছি। সেটা প্রযুক্তির মাধ্যমে হোক আর ম্যানুয়াল সোর্সের মাধ্যমে হোক। তার অবস্থান শনাক্ত হলে গ্রেফতারের প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন যেকোনো আসামি যদি দেশের বাইরে পালিয়ে যায় তাতেও অনেক প্রক্রিয়া আছে এবং আমাদের প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে আমাদের এক্সট্রান্ডিশন ফ্যাক্ট আছে। অনেক উপায় আছে সেই সমস্ত উপায় প্রয়োগ করা যাবে, যদি তার অবস্থান আমরা শনাক্ত হতে পারি।’

নির্বাচনে অন্য বাহিনীর পাশাপাশি র‌্যাবও থাকবে জানিয়ে শহিদুর রহমান বলেন, ‘আমরা স্ট্রাইকিং হিসাবে ব্যবহার হবো। যেকোনো ক্ষেত্রে পুলিশ, আনসার থাকবে এবং স্ট্রাইকিং হিসাবে মোবাইল হিসাবে বিজিবি, সেনাবাহিনী, র‌্যাব শৃঙ্খলার দায়িত্ব পালন করবে। আমরাও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করব।’

গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয় নগরে নির্বাচনি প্রচারণার সময় পরিকল্পিতভাবে শরীফ ওসমান হাদির মাথায় খুব কাছ থেকে গুলি করে সন্ত্রাসীরা। গুরুতর অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। 

কিন্তু অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় গত ১৫ ডিসেম্বর হাদিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসারত অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর রাতে তিনি মারা যান।

পরে ১৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় হাদির লাশ দেশে আনা হয়। পরদিন দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মিলিয়ন মানুষের উপস্থিতিতে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তাকে শাহবাগে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়।

ঘটনার ২৩ দিন পার হলেও এখনো হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল করিমকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তাকে গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে নানা কর্মসূচি পালন করছে ইনকিলাব মঞ্চসহ নানা ছাত্র সংগঠন।

এমআইকে/এএইচ

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর