সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ঢাকা

পে-স্কেল নিয়ে পূর্ণ কমিশনের সভার তারিখ নিয়ে যা জানা গেল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:০২ পিএম

শেয়ার করুন:

বিমান ভাড়া নিয়ন্ত্রণে অধ্যাদেশ জারি করল সরকার
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের লোগো।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর কারণে স্থগিত হওয়া পূর্ণ কমিশনের সভার নতুন তারিখ এখনো নির্ধারণ করতে পারেনি পে-কমিশন। কবে নাগাদ এই সভা অনুষ্ঠিত হবে, সে বিষয়ে কমিশনের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। এতে করে নবম জাতীয় পে-স্কেলের সুপারিশ জমা দেওয়ার জন্য নির্ধারিত সময়সীমা আদৌ রক্ষা করা যাবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।
 
এদিকে পে-কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নবম পে-স্কেলের সুপারিশ জমা দেওয়ার সম্ভাব্য সময় হিসেবে আগামী মধ্য জানুয়ারিকে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই সময়ের মধ্যেই সরকারের কাছে চূড়ান্ত সুপারিশ জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
 
কমিশনের একটি সূত্র জানিয়েছে, নবম পে-স্কেলের গ্রেড সংখ্যা, সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন নির্ধারণসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এসব অমীমাংসিত বিষয় নিষ্পত্তির জন্য অন্তত আরও দুটি পূর্ণ কমিশনের সভা প্রয়োজন হবে। সভাগুলোতে সদস্যরা একমত হতে পারলেই চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া সম্ভব হবে।
 
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাতীয় বেতন কমিশনের এক গুরুত্বপূর্ণ সদস্য বলেন, মধ্য জানুয়ারির মধ্যে সুপারিশ জমা দেওয়ার একটি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। প্রয়োজনে এর আগেও প্রতিবেদন জমা দেওয়া হতে পারে। তবে পূর্ণ কমিশনের আরেকটি সভা অনুষ্ঠিত হলে সম্ভাব্য তারিখ আরও স্পষ্টভাবে বলা যাবে।
 
সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন গ্রেড কাঠামো নিয়ে কমিশনের ভেতরে ভিন্নমত রয়েছে। বর্তমানে সরকারি চাকরিতে ২০টি গ্রেড চালু রয়েছে। কমিশনের একাংশ মনে করছে, বিদ্যমান গ্রেড কাঠামো অপরিবর্তিত রেখে যৌক্তিক হারে বেতন ও ভাতা বৃদ্ধি করা যেতে পারে। তবে অন্য একটি অংশ এই প্রস্তাবে আপত্তি জানিয়ে গ্রেড সংখ্যা কমানোর পক্ষে মত দিচ্ছে। 

কমিশনের ভেতরে আরেকটি মত হলো, গ্রেড সংখ্যা ২০ থেকে কমিয়ে ১৬ করা যেতে পারে। পাশাপাশি কিছু সদস্য নবম পে-স্কেলে গ্রেড সংখ্যা আরও কমিয়ে ১৪ করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তাদের যুক্তি, গ্রেড বেশি হলে বেতন বৈষম্য বাড়ার আশঙ্কা থাকে, তাই কম গ্রেড কাঠামো অধিক বাস্তবসম্মত হতে পারে।
 
বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠনের পক্ষ থেকে নবম পে-স্কেল নিয়ে যে মতামত ও প্রস্তাব জমা পড়েছে, সেগুলো গভীরভাবে বিশ্লেষণ করছে জাতীয় বেতন কমিশন। তবে এখনো পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন লেখার কাজ শেষ হয়নি। বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য সুপারিশ তৈরির লক্ষ্যে প্রতিটি প্রস্তাব খুঁটিয়ে পর্যালোচনা করে নথিভুক্ত করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়া শেষ হতে আরও কিছুটা সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।


বিজ্ঞাপন


এম/ক.ম 

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর