প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদানের জন্য অ্যাকসেস বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনকে পুরস্কৃত করেছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (জেপিইউএফ)।
বুধবার (৩ ডিসেম্বর) ৩৪তম আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস ও ২৭তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা শারমিন এস. মুর্শিদের থেকে সংগঠনের কো-ফাউন্ডার ও চেয়ারপারসন মহুয়া পাল এবং কো-ফাউন্ডার ও নির্বাহী পরিচালক আলবার্ট মোল্লা সম্মাননা গ্রহণ করেন।
বিজ্ঞাপন
সম্মাননা পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় আলবার্ট মোল্লা বলেন, এই স্বীকৃতি আমাদের গর্বিত করেছে। এটি আমাদের বোর্ড সদস্য, কর্মী, অংশীদার, ও অপিডিগুলোর পাশাপাশি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিরলস কাজ ও সহযোগিতার প্রতিফলন, যারা প্রতিদিন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের লক্ষ্যকে এগিয়ে নিচ্ছেন।
মহুয়া পাল বলেন, আমরা সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়কে এই সম্মানের জন্য ধন্যবাদ জানাই। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গঠনে তাদের অঙ্গীকার আমাদের অনুপ্রাণিত করে। আমাদের দাতাগণ, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের অব্যাহত বিশ্বাসের জন্যও কৃতজ্ঞতা জানাই।
নেতৃবৃন্দ জানান যে এই স্বীকৃতি তাদের কাজকে আরও শক্তিশালী করবে এবং বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী অন্তর্ভুক্তি অগ্রসর করার প্রয়াসকে ত্বরান্বিত করবে। তারা সবার সম্মিলিত উদ্যোগে এমন একটি সমাজ গড়ার আহ্বান জানান যেখানে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা সম্পূর্ণভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে।
অ্যাকসেস বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন একটি নারী প্রতিবন্ধী নেতৃত্বাধীন অগ্রগণ্য অ-লাভজনক প্রতিষ্ঠান, যা ৪ জানুয়ারি ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানটি দেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিসহ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়নে কাজ করে, বিশেষত শিশু, কিশোরী, যুব ও নারীদের ওপর গুরুত্ব দিয়ে।
বিজ্ঞাপন
সংগঠনের কাজের ক্ষেত্রের মধ্যে রয়েছে: অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি, প্রবেশযোগ্য অবকাঠামো, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস, জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন, যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার, ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার, গবেষণা, ক্যাম্পেইন ও প্রমাণভিত্তিক অ্যাডভোকেসি।
অ্যাকসেস বাংলাদেশ বর্তমানে ২৯টি জেলায় ৬৫টি তৃণমূল অপিডির সঙ্গে অংশীদারত্বে কাজ করছে। এর প্রধান কার্যালয় সাভার, ঢাকায় এবং প্রকল্প অফিস রয়েছে ধামরাই (ঢাকা), শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) ও অষ্টমীরচর (কুড়িগ্রাম)।
বিইউ/এআর

