আন্তর্জাতিক ফ্লোটিলা অভিযানকে নেতৃত্ব দিয়ে গাজার মানুষের দুর্ভোগ তুলে ধরতে যেতেই গ্রেফতার হন আলোকচিত্রী শহিদুল আলম। ফিরে এসে তিনি জানিয়েছেন, ইসরায়েলি সেনারা হয়রানি করেছে এবং তার জাতীয় পরিচয়পত্র অপমানের সঙ্গে মাটিতে ছুড়ে ফেলে দিয়েছেন।
তিনি বললেন, আমাকে আটকের সময় তারা আমার পাসপোর্ট দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। তার পর সেটি নিয়ে এমনভাবে অপমান করে মাটিতে ফেলে দেয়, কোনো ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
শহিদুল বলেন, গাজা এখনো পুরোপুরি মুক্ত হয়নি। তাই যুদ্ধবিরতির মধ্যেই আমাদের সংগ্রাম থেমে যাবে না। এই বার্তা ছড়িয়ে দিতে হবে, বিশ্বকণ্ঠে শোনাতে হবে গাজার মানুষের আকুতি।
তিনি ধন্যবাদ দিয়েছেন দেশের জনগণকে, সংশ্লিষ্ট সব সংগঠন ও বিদেশি সহযোগীদের, যারা তার নিরাপদ প্রত্যাবাসনে ভূমিকা রেখেছেন।
গত শুক্রবার তিনি তুরস্ক হয়ে দেশে ফেরেন। ফ্লোটিলা বহরের নৌযানগুলোর ওপর গত ৮ অক্টোবর ইসরায়েলি নৌবাহিনী হামলা চালায়। সবযাত্রী, সাংবাদিক, অধিকারকর্মী ও নাবিকদের আটক করে নেয় ইসরায়েলি বাহিনী।
শহিদুল আলমের অভিজ্ঞতা শুধু ব্যক্তিগত দুর্ঘটনা নয়, এটি একটি নানাবিধ নির্যাতন ও অবমাননার প্রতিফলন। তার দাবি, এমন হামলা এবং অপমান কোনোভাবে মেনে নেওয়া যায় না; আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এগিয়ে এসে বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
এইউ




