আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে শুরু হওয়া কপ-২৯ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ বিশ্ব নেতৃবৃন্দ অংশ নিয়েছেন। আগামী ২২ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এই সম্মেলন।
মূলত জলবায়ু অর্থায়ন, বৈশ্বিক উষ্ণতা সীমিত রাখা, জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমানো এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়ে আলোচনা হবে এখানে।
বিশ্বনেতাদের এই মঞ্চে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে নিজেদের ক্ষতির কথা তুলে ধরতে এবং অর্থায়নের অনুরোধ জানিয়েছেন পটুয়াখালীর কলাপাড়া থেকে আসা দুলালী বেগম।
সিডর, আইলা, মহসিনের মতো ঘূর্ণিঝড় কীভাবে উপকূলীয় এলাকার মানুষের জীবনকে সংকটে ফেলেছে দুলালী তা তুলে ধরেছেন বিশ্ব দরবারে।
স্থানীয় সময় সোমবার দুপুর আড়াইটায় আজারবাইজানের বাকুতে কপ-২৯ জলবায়ু সম্মেলনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়। সম্মেলনে বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালীর কলাপাড়ার জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ কমিউনিটির প্রতিনিধি দুলালী বেগম কপ-২৯ জলবায়ু সম্মেলনে জলবায়ু অর্থায়নের জরুরি প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আলোচনা করেছেন।
তিনি সরাসরি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের মুখোমুখি হয়েছেন এমন একজন ব্যক্তি হিসেবে জলবায়ু অর্থায়নের বিষয়ে তার গভীর অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববাসীর সামনে বাংলাদেশের লাখো দুর্গত মানুষের পক্ষে অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে অ্যাকশন এইড ইন্টারন্যাশনালের জলবায়ু ন্যায়বিচার বিষয়ক গ্লোবাল লিডতেরেসা অ্যান্ডারসন, অ্যাকশন এইড সোমালিল্যান্ড-এর কান্ট্রি প্রোগ্রাম ম্যানেজার নুরা মোহাম্মদ, একশনএইড অস্ট্রেলিয়ার এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মিশেল হিগেলিন উপস্থিত ছিলেন।
বিইউ/এমআর




