বেদনাদায়ক এক শারীরিক যন্ত্রণা মাইগ্রেন। এটি হলে মাথায় এমন তীব্র ব্যথা হয় যে মনে হয় কেউ হাতুড়ি দিয়ে পেটাচ্ছে। যাদের মাইগ্রেনের সমস্যা রয়েছে তাদের প্রায়ই কষ্টকর এই অনুভূতি সহ্য করতে হয়। এর থেকে সৃষ্টি হয় অবসন্নতা, বমি ভাব। তীব্র আলো, অতিরিক্ত কোলাহলের কারণে মাইগ্রেনের সমস্যা দেখা দেয়।
প্রায় ৯০-৯৫ শতাংশ রোগী ক্ষেত্রেই মাইগ্রেনের কারণ এগুলো হয়। পুরুষের তুলনায় নারীদের মাইগ্রেন বেশি হয়। যেহেতু এই সমস্যার ক্ষেত্রে হরমোন একটা বড় ভূমিকা পালন করে, তাই নারীদের মধ্যে মাইগ্রেনের সমস্যা বেশি থাকে।
বিজ্ঞাপন
ক্রনিক মাইগ্রেনের একাধিক কারণ হতে পারে। যার মধ্যে অন্যতম হলো লাইফস্টাইল ও জিনগত বিষয়। সাধারণত মাইগ্রেনের রোগীদের যেসব উপসর্গ দেখা যায়, তার মধ্যে অন্যতম হলো-
ঝাপসা দৃষ্টি
হাই ওঠা ও ক্লান্তিভাব
মাথার এক পাশে যন্ত্রণা
বমি
বিজ্ঞাপন
মানসিক চাপের সঙ্গে মাইগ্রেনের সম্পর্ক
মাইগ্রেনের ক্ষেত্রে অন্যতম ট্রিগার হলো স্ট্রেস বা মানসিক চাপ। এমনটাই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। স্ট্রেসের কারণ হলো হরমোনজনিত পরিবর্তন ও মানসিক কিছু বিষয়। নারীদের ক্ষেত্রে মাসিক চক্রও স্ট্রেসের কারণ হিসেবে কাজ করে। এছাড়া ঘুমের ঘাটতি, উপবাস, উত্তেজনা, রাগ, ডিপ্রেশন প্রভৃতিও এর কারণ হতে পারে। এই বিষয়গুলি বাড়তে থাকলে মানসিক চাপও বাড়ে।
মাইগ্রেন প্রতিরোধে স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণের উপায়
প্রথমত পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি। ঠিকমতো ঘুম হলে এনার্জির মাত্রা বাড়ে আর বিরক্তির মাত্রাও কমে।
গান শুনতে পারেন। পছন্দের গান শুনলে রক্তচাপ এবং স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা স্বাভাবিক থাকে।
প্রতিদিন নিয়ম করে ব্যায়াম করা জরুরি। কারণ ব্যায়ামের মাধ্যমে স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা কমানো সম্ভব।
স্বাস্থ্যকর ডায়েট অনুসরণ করতে হবে। ডায়েটে বেশি পরিমাণে শাকসবজি রাখুন। সঙ্গে জরুরি ভিটামিনও রাখতে হবে। অর্থাৎ ব্যালেন্সড ডায়েট মেনে চলার অভ্যাস তৈরি করতে হবে।
এনএম